মায়ানমারে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, ভূমিকম্পের তিনদিন ধ্বংসস্তূপ থেকে মহিলাকে জীবিত উদ্ধার

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- মায়ানমারে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের তিনদিন পর হোটেলের ধ্বংসস্তূপ থেকে এক মহিলাকে জীবিত উদ্ধার করলেন উদ্ধারকারীরা। যা একপ্রকার আশার আলো দেখিয়েছে উদ্ধারকারীদের। কারণ মনে করা হচ্ছে এইভাবে আরও অনেককেই জীবিত উদ্ধার করা যেতে পারে ধ্বংসস্তূপ থেকে। এই আশায় আরও দ্রুত গতিতে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মায়ানমারের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২০০০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে মায়ানমারের জাতীয় সংবাদমাধ্যম তরফে কমপক্ষে ১,৭০০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
মায়ানমারের চিনা দূতাবাসের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের প্রায় ৬০ ঘন্টা পরে মান্দালয়ের একটি হোটেলের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধারকারী দল একজন মহিলাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। ওই মহিলার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত মধ্য মায়ানমারের প্রায় ২৩ হাজার মানুষকে দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ করা হচ্ছে। মায়ানমারের এই কঠিন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অন্যান্য দেশগুলিও। ভারত সহ আমেরিকা, মালয়েশিয়া, রাশিয়া থেকে ত্রাণ ও উদ্ধারকারীদের পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার পরপর জোরালো ভূমিকোম্পে কেঁপে ওঠে মায়ানমার। প্রথম দুটি ভূমিকম্পে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.২, ৭। ন্যাশনাল সেন্টা ফর সিসমোলজির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ প্রথম ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.২। প্রথমটির উৎপত্তিস্থল মায়ানমারের বার্মার ১২ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। ভূমিকম্পের গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। এরপর দ্বিতীয় ভূমিকম্প অনুভূত হয়, ১২টা ২ মিনিট নাগাদ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭। দ্বিতীয়টির উৎপত্তিস্থল মায়ানমারের লকসকের ১৫১ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। ভূমিকম্পের তীব্রতার প্রভাব পড়ে ৯০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*