‘মানুষই দেখুক বিচারব্যবস্থার কী করুণ দশা’, বিচারপতির বাড়িতে কাড়ি কাড়ি টাকা উদ্ধার নিয়ে কটাক্ষ অভিষেকের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে আগেও সরব হয়েছেন তিনি। দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাড়িতে কাড়ি কাড়ি পোড়া নোট উদ্ধার হওয়ার পর আবারও সুর চড়ালেন তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কটাক্ষের সুরে বলছেন, “মানুষই দেখুক বিচারব্যবস্থার কী করুণ দশা!”
সম্প্রতি দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাড়ি থেকে কাড়ি কাড়ি পোড়া নোট উদ্ধার হয়েছে। একজন কর্তব্যরত বিচারপতির বাড়িতে এত টাকা কেন? প্রশ্ন উঠছিল আইনজীবী মহলেও। বিরোধী শিবিরের কেউ কেউ বিচারপতির সঙ্গে গেরুয়া যোগ খুঁজে পেয়েছেন। এবার যশবন্ত বর্মার বাড়িতে টাকা উদ্ধার নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকও। সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে এই মুহূর্তে দিল্লিতে অভিষেক। সেখানেই তিনি বললেন, “মানুষ দেখুক কী অবস্থা। যাঁদের উপর বিচারব্যবস্থার ভার, তাঁদের বাড়িতেই কাড়ি কাড়ি টাকা উদ্ধার। বিচারব্যবস্থার কী করুণ দশা!”
উল্লেখ্য, হোলির দিন ওই বিচারপতির বাড়িতে আগুন লেগে যায়। সেই আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরা তাঁর বাড়িতে প্রচুর নগদ টাকার সন্ধান পান। খোদ কর্তব্যরত বিচারপতির বাড়িতে এত নগদ কেন? কোথা থেকে এল এত টাকা? বিচারপতি বা তাঁর বাড়ির কোনও সদস্য সদুত্তর দিতে পারেননি। ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়। বিচারপতি যশবন্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায়। নজিরবিহীনভাবে সেই রিপোর্ট আপলোড করা হয়েছে শীর্ষ আদালতের ওয়েবসাইটে। সেখানে দেখা গিয়েছে, পোড়া নোটের স্তূপ রয়েছে বিচারপতি যশবন্তের বাসভবনে। জানা গিয়েছে, বিচারপতি যশবন্তের বাংলোর গুদামে বোঝাই ছিল বিপুল নোটের তাড়া। আগুন লাগার পর সেগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
যদিও অভিযুক্ত ওই বিচারপতির দাবি, পুরোটাই তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত। ওই ঘরে প্রচুর জিনিস থাকত, বেশ কিছু নথিপত্রও ছিল। তাঁর বাড়ি থেকে ওই ঘরটি সম্পূর্ণ আলাদা। অনেকেই ওখানে যাতায়াত করত। তাছাড়া বাড়িটিতে পরিবারের কারও সেভাবে যোগাযোগও থাকত না। ওই বিচারপতির দাবি, তিনি বা তাঁর পরিবারের সবাই অনলাইনে বা ব্যাঙ্কের মাধ্যমেই লেনদেন করেন। এই টাকার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক তাঁদের নেই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*