বুধবার থেকে নিউটাউনে শুরু হচ্ছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- অপেক্ষার প্রহর গোনা শেষ। রাত পোহালেই বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (বিজিবিএস)। নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে দু’দিন ধরে চলবে এই শীর্ষ বাণিজ্য সম্মেলন চলবে। ৪০টি দেশের ২০০ প্রতিনিধি-সহ ৫,০০০ হাজার বিশিষ্ট অতিথি অংশ নেবেন সম্মেলনে। ইতিমধ্যেই সম্মেলনে যোগ দিতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন বিবিজিএসের অংশীদার হিসাবে থাকা ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাই কমিশনার। একাধিক শিল্পসংস্থার শীর্ষ কর্তারাও কলকাতায় পা রাখতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবার বিকালেই অনুষ্ঠানস্থল ঘুরে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত এক চা-চক্রেও যোগ দেন তিনি। সম্মেলনে যোগ দিতে আসা অতিথিদের সঙ্গে পরিচয়পর্বও সারেন।

এবারের সম্মেলনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগের। যদিও তিনি আসবেন কিনা, তা রাত পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। এদিন বিকালে অবশ্য সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তো আমাকে গত অক্টোবর মাসে কনফার্ম করেছিলেন তিনি আসবেন। আমি এখনও পর্যন্ত জানি উনি আসবেন।’ তবে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর আসা নিয়ে খানিকটা সংশয় থাকলেও পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের আসা একশো শতাংশ নিশ্চিত। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির থাকছেন দেশের এক নম্বর শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। থাকছেন সজ্জন জিন্দাল-সহ শীর্ষ শিল্পপতিরাও।


সূত্রের খবর, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে এবারের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাণিজ্যের ‘কুম্ভমেলা’ হিসাবে পরিচিত বিবিজিএসে রাজ্যের তরফে ক্ষুদ্র শিল্প থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়া থেকে টেক্সটাইল, কৃষিভিত্তিক পণ্য থেকে কুটির শিল্প, পর্যটনকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। এবারের বাণিজ্য সম্মেলনেই রাজ্যে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই হাব’ তৈরির কথা ঘোষণা হতে পারে। সেমিকন্ডাক্টর, বস্ত্র ও চর্মশিল্প, পর্যটন, ভারী শিল্প- সহ একাধিক ক্ষেত্রে লগ্নি টানায় এবার বিশেষ জোর দিয়েছে রাজ্য। বেলা দুটোর সময়ে উদ্বোধন হবে বিজিবিএসের। বিকেল পাঁচটা থেকে থাকবে ‘ইন্টারন্যাশনাল সেশন’। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আলোচনা হবে একাধিক হলে। কৃষি, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মৎস্য, বিদ্যুৎ, বিনোদন নানা বিভাগ নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*