রোজদিন ডেস্ক :
কেরালার কোল্লামের হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক বন্দনা দাসকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হল প্রাক্তন শিক্ষক সন্দীপকে। ২০২৩, সালের এই হাড় হিম করা হত্যাকান্ডে শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ। সন্দীপ, এক শিক্ষক, অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, মাত্র ২৩ বছর বয়েসী চিকিৎসক বন্দনা দাস তাঁকে পরীক্ষা করতে গেলে তিনি তাঁর ওপর ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেন।তাঁর আর্তনাদ শুনে অন্যরা তাঁকে বাঁচাতে এলেও শেষ রক্ষা হয় নি। মাত্র ২৩ বছর বয়েসে জীবন দীপ নিভে যায় এই মেধাবী তরুণী চিকিৎসকের।
হত্যাকারী সন্দীপের মানসিক সুস্থিতি নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে পুরো সুস্থ বলে আদালত জানিয়ে দেয়। আজ এই সাড়া জাগানো মামলায় আদালত সন্দীপকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। বৃহস্পতিবার এর রায় ঘোষণা হবে।
এই মর্মন্তুদ নৃশংস হত্যাকান্ডর প্রেক্ষিতে সরকার কর্মস্থলে চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষার জন্য “বন্দনা দাস আইন” আইন প্রণয়ন করেছে।
নিহত চিকিৎসক তরুণীর মা বাবা তাঁদের একমাত্র কন্যার এই নৃশংস হত্যাকান্ডে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন। এই মামলা চলাকালীন প্রতিদিন তাঁরা শুনানির সময় উপস্থিত থেকেছেন।
পুলিশ এই ঘটনায় ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেয়, ৭০ জন সাক্ষী দেন, তার মধ্যে ৫০ জনই চিকিৎসা পেশায় যুক্ত।
এই নৃশংস হত্যাকান্ডে সরকারি আইনজীবী ঘাতক শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আর্জি জানিয়েছেন।
তাঁর আজীবন কারাবাস হতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করেন।

Be the first to comment