রোজদিন ডেস্ক : জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গোটা দেশের রাজনীতি। বিজেপি বিরোধী দলগুলির চাপের মুখে পড়েই কি কিছুটা সুর নরম করল কমিশন? নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হতেই সেই প্রশ্ন উঠছে। সাধারণ ভোটারদের হয়রানি কমানোর দোহাই দিয়ে এবার তড়িঘড়ি একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা জারি করল কমিশন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী সংক্রান্ত কিছু নিয়মের বদল করা হয়েছে। এতদিন তথ্যগত অসংগতি বা ‘আনম্যাপড’ হওয়ার কারণে নোটিশ পাওয়া ভোটারদের শুনানির নামে যেভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছিল, এবার সেই নিয়মে বড়সড় বদল আনা হল। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই ধরনের ত্রুটির ক্ষেত্রে বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-রা সরাসরি ভোটারদের বাড়ি যাবেন এবং প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে তা ইসিআই-নেটে আপলোড করবেন। এর জন্য ভোটারদের আর ইআরও বা এইআরও অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে না। নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে যে, কেবলমাত্র ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে শুনানি হলেও তা অনলাইনে বা সুবিধাজনক যোগাযোগ মাধ্যমে করা হবে। এমনকী, ভোটারের বদলে পরিবারের যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য সেই শুনানিতে অংশ নিতেও পারবেন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দিনমজুর, গৃহহীন এবং রাত্রিনিবাসে থাকা দরিদ্র মানুষের সুবিধার্থে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের পর্যাপ্ত সংখ্যক হেল্প ডেস্ক বা বিশেষ ক্যাম্প তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি, যে সব রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, সেখানে বাদ পড়া এবং প্রথমবার যোগ্য হওয়া নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ৬ নম্বর ফর্মের সঙ্গে যুক্ত ডিক্লারেশন ফর্মটি কেবল এসআইআর চলাকালীনই ব্যবহার করা হবে।

Be the first to comment