রোজদিন ডেস্ক :
হিন্দু – মুসলিম বিভাজন না করে সবাইকে রাজ্য সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ রেজিনগর উপ নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে তাঁর জন্য সংখ্যালঘু মানুষ জন হাত মেলানোর জন্য দাঁড়িয়ে আছেন, এতে রীতিমত আপ্লুত তিনি।। প্রাক্তন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে কোন উন্নয়ন হয় নি। কত মানুষের মাথার ওপর ছাদ নেই। তাঁরা এখানকার আমজনতার উন্নয়নে কাজ করবেন। মডেল বিধান সভা করে তুলবেন রেজিনগরকে।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নন্দীগ্রামে জয়ের শংসাপত্র নিয়ে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূলের নাম ও নিশান কিছুই থাকবে না। বাম – কংগ্রেসকে কটাক্ষে বিঁধে বলেন, লালবাবুরা (সিপিএম) বিধানসভায় সবেধন নীলমনি একজন, সাইনবোর্ড হয়ে যাওয়া কংগ্রেস দুজন। চাইলে তাও সাগরদিঘির মত হয়ে যাবে।
বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের পক্ষে প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রাক্তন শাসক দলকে বিঁধে আরও বলেন, দেড়শো দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নেই।
২৮ জন সাংসদের ২০ জনই বলেন, তাঁদের নেতা অন্য, ৮০ জন বিধায়কের ৬৪ জনই বলেন, তাঁরা মমতা ব্যানার্জিকে মানেন না। এখন প্রতীক কাকে দেওয়া যায়, নির্বাচন কমিশন ভাবছে। এদের কোন নাম, নিশান আর মিলবে না বলে তোপ দাগেন।
সংখ্যালঘু প্রধান রেজিনগরের মানুষ এবার আর ভোট নষ্ট করবেন না। এখানে এত মানুষ কর্মহীন! শিল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের নাম না করে তাঁকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে একজন তাঁর মৃত্যু কামনা করেছেন। তাঁরা পরম শত্রুকে নিয়েও এমন কথা বলেন না। এর পরও কি এই মানুষকে তাঁরা ভোট দেবেন?
প্রসঙ্গত হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে যাওয়া এই আসনে তাঁর পুত্র উপ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। এখানকার মানুষ কাকে ভোট দেবেন তাঁদেরই ওপর তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন।

Be the first to comment