রোজদিন ডেস্ক :
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আজ দিনভর আন্দোলনে উত্তাল দিল্লি। মূলত ককরোচ জনতা পার্টি ( সিজেপি) আজ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয় দিল্লি কে। সকালেই দিল্লি বিমানবন্দরে বিমানের ভিতর থেকে আটক করা হয় সি জে পির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। এরপর ই আজ আন্দোলনের নেতৃত্বে আসেন অজিঙ্ক শিন্দে। অভিজিৎ দীপকে ই তাঁর নাম জানান।
সি জে পি র এই আন্দোলনে যোগ দিতে আজ প্রায় সব বিরোধী দল ই উদ্যোগ নেন।
অংশ নিতে যান ছাত্র, যুব,আইনজীবী সহ বিভিন্ন সংগঠন ও। কিন্তু তাঁদের সবাইকেই কোন না কোন ভাবে বাধা দেওয়া, আটক করা হয়।
আইসা নেত্রী নেহা বোরা ঘুর পথে যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তাঁকেও আটক করে পুলিশ। আটক করা হয় ঐশী ঘোষ, সৃজন ভট্টাচার্য সহ সিপিএমের তরুণ নেতাদের ও।
সন্ধ্যায় সি জে পি, এস এফ আই, এ আই এস এফ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা জানান, এই আন্দোলন চলবে।
সি জেপি নেতা অজিঙ্ক শিন্দে, সৃজন ভট্টাচার্য প্রমুখ সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন। অজিঙ্ক শিন্দে, সৃজন ভট্টাচার্য প্রমুখ বলেন,যেভাবে অভিজিৎ দীপকেদের বিমানের ভিতর থেকে আটক করা হয়েছে, জরুরি অবস্থার সময়ও তা হয়নি। অভিজিৎ দীপকে কোথায় কোন খবর নেই বলে তাঁরা উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। ওঁর দিদিমা মারা গেছেন। ওঁর আইনজীবীকেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।
তরুণ নেতারা বলেন, আজ সারাদিন সারা দেশের মানুষ দেখেছেন কি হয়েছে! ওরা (বিজেপি!) কোন উত্তর দিতে না পেরে পড়ুয়াদের দেশদ্রোহী বলছে!
এই প্রথম একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে জয়ী করার জন্য ভোটার তালিকায় কারচুপি করা হয়েছে। এই প্রথম নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা উবে গেছে বলে তাঁরা মন্তব্য করেন। আন্দোলন জারি থাকবে বলে জানিয়ে দেন।

Be the first to comment