রোজদিন ডেস্ক :
নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের মেয়াদ আর দশ মাস! কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীর এই বিস্ফোরক ইঙ্গিত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন উঠেছে। সূত্রের খবর, দলের ঘনিষ্ঠ মহলে রাহুল গান্ধী বলেন, আগামী দশ মাসের মধ্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ক্ষমতা হারাবে। দেশের যুব সমাজ মোদিজির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। কংগ্রেস নেতা, কর্মী, সমর্থকদের তিনি ভয় না পেয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে বলেন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সারা দেশ যেভাবে উত্তাল হয়ে পথে নেমেছে এই সবই কেন্দ্রের পতনের ইঙ্গিত বলে তিনি মনে করেন।
সূত্রের খবর, দলের যুব সংগঠন, সেবা দল, জাতীয় ছাত্র সংগঠন প্রমুখ দের সঙ্গে এক চা চক্রে রাহুল গান্ধী আরও জানান, ভয় পাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই, যাই হবে, তিনি সামলে নেবেন, কেন্দ্রের পতন আসন্ন।
কংগ্রেস ছেড়ে যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই এখন অনুতপ্ত বলে খবর আছে।
রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বলে কিছু হয় না, এমন কথাও তিনি বলেন। জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে তাঁকে জানিয়ে দেন, তিনি ওঁর সব থেকে ভাল বন্ধু।
চা চক্রে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কানহাইয়া কুমার সহ বহু নেতা উপস্থিত ছিলেন।
বিজেপি বিরুদ্ধে লড়াই-এ বিশিষ্ট বিরোধী নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের কথাও বলেন বিরোধী নেতা।
এই প্রসঙ্গে শরদ পাওয়ার, মমতা ব্যানার্জি, মায়াবতীর কথাও হয় বলে জানা যায়।
সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেখানে তীব্র কন্ঠে জ্ঞানেশ কুমারের সমালোচনা করে নজর কাড়েন তিনি। শরদ পাওয়ার কন্যা সুপ্রিয়া সুলেও এই জোটে আছেন। তবে মায়াবতী এখনও তাঁদের সঙ্গে আসেন নি। বিজেপি কে মোকাবিলা করতে হলে বিরোধী শিবিরের কংগ্রেসের সঙ্গে থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলে রাহুল গান্ধী বার্তা দেন।
চা চক্রে জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের প্রশংসায় মুখর হন রাহুল গান্ধী। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দুবার পিছিয়ে পড়েও হতাশ হন নি বলে জানান। দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে রাজনীতি তে অধ্যবসায়, ধৈর্য, দীর্ঘ মেয়াদি লড়াইয়ের বার্তা দেন তিনি।

Be the first to comment