রোজদিন ডেস্ক: চোরবাগানের হৃদয় বিদারক ঘটনা স্থল গভীর রাতে সরেজমিনে খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।। ওখানে আয়োজক দের অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।। পরে তিনি জানান, ঘটনার তদন্তের আগে কার গাফিলতি তিনি পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বলতে পারেন না। তবে বহু মন্ডপে আলো কম থাকে, প্রচন্ড ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে তাঁরা অভিজ্ঞতা নিলেন। রবিবার এই বিষয়ে গঠিত বিশেষ প্রতিনিধি দল সব মন্ডপ গুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র রাত আটটার পর ই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বেশ কয়েকজন নিহতের পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। মন্ত্রী, প্রশাসনের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। দফায় দফায় কথা বলেন সাংবাদিক দের সঙ্গেও। রাত বারটার অনেক পরে মুখ্যমন্ত্রী সরেজমিনে মন্ডপের পরিস্থিতি দেখতে যান। এই ঘটনা য় কার ও বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এলে তিনি যেই হোন, রেয়াত করা হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন।
ঘড়ির কাঁটা প্রায় দু’টো র দিকে। ক্লান্তিহীন মুখ্যমন্ত্রী তখন ও সবার সঙ্গে কথা বলে আসল ঘটনা জানার চেষ্টা করেন।
তাঁর সঙ্গে মন্ত্রী তাপস রায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল প্রমুখ ছিলেন। এরপর তিনি চলে যান। আবার সকালে আসবেন জানান।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এইদিন রাতে কলকাতা এসেছেন। রবিবার তাঁর কর্মসূচি বাতিল করেছেন। তিনি আহত দের দেখতে হাসপাতালে আসবেন।।
মুখ্যমন্ত্রী গভীর রাতে বলেন, সব পুজো বন্ধ করতে বলা যায় না। তবে দর্শকদের নিরাপত্তা অগ্রাধিকার দিতে হবে।
সূত্রের খবর, পালাবদলের পর চোরবাগানের জনপ্রিয় পুজোর দায়িত্বে আসেন বিজেপির নেতারা। এর মধ্যে তমোঘ্ন ঘোষ, বিধায়ক বিকয় ওঝা প্রমুখ আছেন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেবদীপ অধিকারী ( মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো)।
রাতে উদ্যোক্তাদের আট জনকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ চলছে বলে জানা যায়।

Be the first to comment