রোজদিন ডেস্ক: চোরবাগানের পদপিষ্ট হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার পর মধ্যরাতে আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হোল কেন? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মেডিকেল কলেজের পড়ুয়া, বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠনের মধ্যে। ওই দুর্ঘটনার পর নিহত, আহত প্রায় সবাইকেই মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রা ১৭ জন কে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের ভর্তি করা হয়, চিকিৎসা ও শুরু হয়। সূত্রের খবর, রাত নটার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আসেন।।এরপর ই আহতদের এস এস কে এমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমত দুজনকে ওখানে পাঠিয়ে অন্যদের পাঠানোর প্রক্রিয়া ও শুরু হয়। রাত দশটার পর ফের এই সিদ্ধান্ত বদলে যায়।।তবে প্রথমেই সবাইকে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়নি।।তাঁদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তা ঠিক করা হচ্ছিল। এমনকি কেন তাঁদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে, তার কারণ ও দেখানো হয় নি।।সরকারি চিকিৎসা ক্ষেত্রে যা কার্যত বাধ্যতামূলক।। কেন তাঁদের মধ্যরাতে ওখানে নিয়ে যাওয়া হোল তা নয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মূলত জুনিয়র চিকিৎসক মহল।বিশেষত কর্পোরেট বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের নিয়ে যাওয়ায় চিকিৎসক মহল ও প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রী আহত রোগীর পরিজনদের বলছেন, কারা বেসরকারি হাসপাতালে যেতে চান! এইভাবে তা বলা যায় না বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠনের পক্ষে সৌম্যদীপ দে প্রশ্ন তুলেছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী অবশ্য এই সবে কান দিতে রাজী না।। একটি চিকিৎসক সংগঠনের পক্ষে বিপ্লব চন্দ্র সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় জনমানসে ভুল বার্তা যেতে পারে বলে মনে করেন।।
তবে সরকারের দাবি, এই নজিরবিহীন দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত আরোগ্য ই একমাত্র কাম্য।।এই নিয়ে কোন বিতর্ক তারা চায় না।

Be the first to comment