রোজদিন ডেস্ক :
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করলেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। আজ পুলিশের আক্রমণে প্রহৃত, নির্যাতিত পড়ুয়াদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশের মারধরে এক ছাত্রী শ্রবণ শক্তি হারিয়েছে, এমনকি একজনের গোপন অঙ্গে ও আঘাত করেছে পুলিশ।
তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে এক পড়ুয়া বাঁশি বাজিয়ে দিল্লি পুলিশের এই আক্রমণ, নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। তাঁকে বাহবা জানিয়ে বিরোধী নেতা বলেন, পুলিশের ডান্ডার জবাব এই ভাবে অন্য ডান্ডার (বাঁশি!) মাধ্যমে দেবেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, বিরোধী নেতা বরাবরই ভালবাসা, মায়া, মমতার মাধ্যমে নিষ্ঠুরতার জবাব দেওয়ার কথা বলেন, হিংসার বদলে হিংসার তিনি পক্ষপাতী না।

কেরলম থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা ছাত্রী আথিরা-কে দেখিয়ে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, পুলিশের মারে ওঁর একটি কানে শুনতে পাচ্ছেন না। এর আগে পুলিশের মারে এক ছাত্র অন্ধ হয়ে গেছিলেন, এবার এক ছাত্রী বধির হয়ে গেলেন!
আথিরা জানান, কোন মহিলা পুলিশ কর্মী ছাড়াই তাঁদের বাসে তোলা হয়েছিল। এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কনট প্লেসে বাস থামিয়ে তাঁদের বেধড়ক মারে পুলিশ। আর এক ছাত্রীকে “শেরনি” বলে উল্লেখ করেন বিরোধী নেতা। ওই ছাত্রীকে এক মহিলা পুলিশ মারধর করেন বলে অভিযোগ। তাঁর গালে নখ ফিয়ে আঁচড়ে দেওয়া হয়, থাপ্পড় মারা হয়। এই ছাত্রীই অপর এক ছাত্রীর গোপন অঙ্গে আঘাত করার গুরুতর অভিযোগ করেছেন পুলিশের বিরুদ্ধে।।
এই সব অভিযোগ নিয়ে দৃশ্যত বিচলিত বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁরা এর বিচার চান।

Be the first to comment