প্রতিবেদন: রবিবারের তাণ্ডবের পর সোমবার সকাল থেকে আর নতুন করে কোনও গোলমাল নেই বাইপাসের পাশে এসআরএফটিআই ক্যাম্পাসে (SRFTI Campus)। টানা ৭/৮ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর সোমবারও থমথমে এসআরএফটিআই। গেটের বাইরে এখনও মোতায়েন পুলিশ। ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত স্থানীয় পঞ্চসায়র থানায় চারটি পৃথক এফআইআর দায়ের হয়েছে। একটি এফআইআর দায়ের করেছে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতি। যারা ওইদিন সভা করেছিল। আরও দুটি এফআইআর পড়ুয়াদের তরফে দায়ের করা হয়েছে। তৃতীয় এফআইআরটি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পুলিশ করেছে। তবে গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনকেও আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে রবিবার দুপুরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা ক্যাম্পাস। ঘটনার সূত্রপাত একটি সভাকে কেন্দ্র করে। রাত পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। উত্তেজনা ছিল। ক্যাম্পাসে ছিল পুলিশ। দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে নির্বিচারে চলে ইট বৃষ্টি। তাতে জখম হন দু’পক্ষের একাধিক পড়ুয়া। রক্ত ঝরে কয়েকজনের। রাতের দিকে আহতদের উদ্ধার করতে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকা হয় ক্যাম্পাসে। অ্যাম্বুল্যান্স বাইরে বেরতেই বহিরাগতরা সেটাকে ঘিরে ধরে। অ্যাম্বুল্যান্স লক্ষ্য করে জলের বোতল ছোঁড়া হয়। কোনওক্রমে সেটি পিয়ারলেস হাসপাতালের দিকে রওনা হয়। গেটের বাইরে ‘জয় শ্রীরাম’, ‘ভারতমাতা কী জয়’ স্লোগান উঠে। ভিতর থেকেও চলে পাল্টা স্লোগানিং। গেট টপকে পুলিশ ভেতরে ঢোকে পরিস্থিতি সামাল দিতে। ক্যাম্পাসে শান্তির দাবিতে অবস্থানে বসেন পড়ুয়াদের একাংশ। অভিযোগ, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত নামে একটি সংগঠনের সভা থেকে রাজনৈতিক উসকানিমূলক বক্তব্য রাখা হয়। পড়ুয়ারা বক্তব্যের বিরোধিতা করতেই সংগঠনের সমর্থকরা তাদের উপর চড়াও হয়। মহিলা পড়ুয়াদেরও রেয়াত করা হয়নি বলে অভিযোগ।

Be the first to comment