প্রতিবেদন: দলত্যাগ বিরোধী আইন মেনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা-সহ ১০ বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কের বিধায়কপদ খারিজ করা হবে না কেন? এই আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সোমবার সেই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু এই মামলায় এদিন সুস্পষ্ট কোনও নির্দেশই দিল না শীর্ষ আদালত। গোটা বিষয়টা রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর ওপর ছাড়া হয়েছে। নির্দিষ্ট করে কোনও সময়ও বেঁধে দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। তবে সোমবার দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানিয়েছে, ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ে বলা হয়েছিল, কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন বা বিধায়কপদ খারিজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পিকারের রয়েছে। তবে এর জন্য স্পিকারকে উপযুক্ত সময় দেওয়া হবে। সাধারণত তিন মাসের মধ্যে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। স্পিকার সেই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশাপ্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এই মামলায় নতুন করে আর কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেয় বেঞ্চ। তবে স্পিকারকে ওই রায়ের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে আদালত। যদিও এরই মধ্যে গত ১৬ সেপ্টেম্বরে এই নিয়ে ওই ১০ বিধায়ককে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেন স্পিকার। তারা অবশ্য এখনও কোনও উত্তর দেননি।

Be the first to comment