প্রতিবেদন: একটা যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা বলুন, যার মধ্যে দুই পক্ষই নিজেদের প্রমাণ ও বক্তব্য পেশ করার ন্যায্য সুযোগ পাবে। আবার বিষয়টিও অযথা দীর্ঘ হবে না। প্রমাণ এবং দু’পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতেও যথেষ্ট সময় থাকতে হবে। অর্থাৎ, বাস্তবসম্মত একটি সময়সীমা প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের শুনানিতে (TMC symbol case) নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন করল সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচনী প্রতীক এবং দলের নাম সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য কতটা সময় প্রয়োজন, তা কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। এখম কমিশন কী উত্তর দেয় তার ওপর নির্ভর করছে মামলার ভবিষ্যৎ। আগামী সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এর আগে এক অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও জোড়াফুল সিম্বল ফ্রিজ করে দেয়। যাকে পুরোপুরি অবৈধ বলে দাবি করেছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই ওই ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলার প্রথম শুনানি ছিল আজ। উপ নির্বাচনের আগে নাম ও প্রতীক ইস্যুতে কোনও স্বস্তি পায় কিনা মমতা শিবির, সেটাই এখন দেখার।

Be the first to comment