রোজদিন ডেস্ক :
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ আন্দোলন ঘিরে তেতে উঠেছে দিল্লি। আজ সকালে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সহ তিন নেতাকেই আটক করেছে পুলিশ। দিল্লি বিমানবন্দরে আজ সকালে তাঁরা নামতেই পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে। তাঁদের নিয়ে মুম্বাই থেকে আসা বিমান দিল্লি পৌঁছতেই অন্য যাত্রীদের দাঁড় করিয়ে বিমান থেকেই তাঁদের আটক করা হয়। কোথায় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে এখনও জানা যায়নি।
সূত্রের খবর, সিজেপি-র নেতাদের জন্য পুলিশ আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল। তাঁদের নিয়ে বিমান মাটি ছুঁতেই বহু মহিলা পুলিশ কর্মী-সহ পুলিশ বিমানে উঠে পড়ে। দ্রুত তাঁদের আটক করা হয়। সমাজমাধ্যমে অভিজিৎ দীপকে তা পোস্ট করেন। ইনকিলাব জিন্দাবাদ ধ্বনি তোলেন। পুলিশকে তিনি বলেন, তাঁরা বিমান থেকে নামার পর গ্রেফতার করা যেত। তাঁরা গ্রেফতার হবেন জেনেই এখানে এসেছেন। এরজন্য তাঁরা ভয় পান না বলে দৃপ্ত কন্ঠে জানান। অন্য বিমান যাত্রীরা এই ঘটনায় রীতিমত বিস্মিত।
সিজেপি-র তিন শীর্ষ নেতাকে পুলিশ এইভাবে আটক করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সিজেপি এক বিবৃতিতে জানায়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্বকে বিক্ষোভ স্থলে পৌঁছনোর আগেই আটকে দেওয়ার জন্য এটা দিল্লি পুলিশের পূর্ব পরিকল্পিত পদক্ষেপ।
সকলের চলাফেরায় স্বাধীনতা আছে, তা লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা করেন তাঁরা। অবিলম্বে তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে সিজেপি।
এর আগে নেট প্রভাবী ধ্রুব রাঠিকেও আটক করেছে পুলিশ। তিনি যন্তরমন্তরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার আগেই তাঁর গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। গত রাত থেকে চলছে ব্যাপক হারে ধরপাকড়। সিজেপি-র আইনি বিষয়গুলি যিনি দেখাশোনা করেন, সেই রত্না সিংহকেও পুলিশ আটক করেছে। তিনি আইনজীবীদের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তাঁকে আটক করে পুলিশ।
সি জে পি আজকের কর্মসূচি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত দিল্লি সহ সংলগ্ন এলাকা। গোটা দিল্লি নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী সহ কয়েক হাজার পুলিশ। চলছে পুলিশি টহল। দিল্লি গামী বহু ট্রেন বাতিল। বন্ধ ৪৫ টি মেট্রো স্টেশন ও। এই ভাবে আমজনতার যাতায়াতের অসুবিধা না করতে শীর্ষ আদালত অসন্তোষ ব্যক্ত করলে ও তা মানা হয় নি। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও।
সব মিলিয়ে আজ দিল্লি যেন এক অঘোষিত যুদ্ধ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। সিজেপি আজকের কর্মসূচি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত দিল্লি সহ সংলগ্ন এলাকা। গোটা দিল্লি নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ কয়েক হাজার পুলিশ। চলছে পুলিশি টহল। দিল্লি গামী বহু ট্রেন বাতিল। বন্ধ ৪৫টি মেট্রো স্টেশনও। এই ভাবে আমজনতার যাতায়াতের অসুবিধা না করতে শীর্ষ আদালত অসন্তোষ ব্যক্ত করলে ও তা মানা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও।
সব মিলিয়ে আজ দিল্লি যেন এক অঘোষিত যুদ্ধ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

Be the first to comment