রোজদিন ডেস্ক : দু’দিনের মধ্যে যুগলের রহস্যমৃত্যু। ঘটনার নেপথ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বলেই মনে করছে পরিবার। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন প্রেমিক। তাঁর মৃত্যুসংবাদ শুনে শনিবার নিজেকে শেষ করে দেন প্রেমিকাও। হুগলির কোন্নগরের ঘটনা। মৃতদের নাম সন্দীপ গুপ্ত এবং সঙ্গীতা সাউ। সঙ্গীতা বিবাহিত ও তাঁর একটি কন্যা রয়েছে। বিবাহিত হলেও টোটোচালক সন্দীপের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ায় সঙ্গীতা। এই নিয়ে তাঁর বাপের বাড়িতেও অশান্তি চলছিল। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন সন্দীপ। বেলুড় জিআরপি তাঁর দেহ উদ্ধার করে। এই খবরে একেবারেই ভেঙে পড়েন স্বামী ছেড়ে বাপের বাড়িতে থাকা সঙ্গীতা। শনিবার বাপের বাড়ি থেকে মিলল সঙ্গীতার নিথর ঝুলন্ত দেহ। সঙ্গীতার পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় সোমনাথ মণ্ডল নামে কোন্নগরেরই এক যুবকের সঙ্গে। তাঁদের একটি কন্যাও রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঝগড়া, অশান্তি লেগেই থাকত। তারপর বাপের বাড়ি চলে আসেন সঙ্গীতা। সেখানে থাকাকালীনই কোন্নগর চটকল এলাকার বাসিন্দা সন্দীপ নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সঙ্গীতা। টোটোচালকের সঙ্গে মেয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছে শুনে সঙ্গীতার পরিবারও তা মেনে নেয়নি। এরপর বৃহস্পতিবার রেললাইন থেকে সঙ্গীতার প্রেমিক সন্দীপের দেহ উদ্ধার হয়। জিআরপির দাবি, ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন তিনি। প্রেমিকের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে শনিবার দুপুরে বাপের বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বছর পঁচিশের সঙ্গীতা। পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে তদন্তে নেমেছে।

Be the first to comment