রোজদিন ডেস্ক :
তাঁর একদিকে সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অন্যদিকে আইসা নেত্রী নেহা বোরা, সামনে, পিছনে, পাশে শুধুই জনসমুদ্র। তাঁদের নিয়ে সাদা টি শার্টে কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী আজ দিল্লির রাজপথে। সেই অপার জনসমুদ্রর ঢেউ এ ধ্বনি উঠেছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চাই। সেই জন সমুদ্রের মাঝে হাঁটছেন এক প্রত্যয়ী জননেতা, এই মুহূর্তে সারা দেশের সিংহভাগ বিরোধী নেতার সমর্থন নিয়ে হাসিমুখে দেশের শীর্ষ আদালতে পিটিশন জমা দিলেন রাহুল গান্ধী। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের তরতরিয়ে চলা বিজয় রথের নেপথ্যে ভোটচুরির কারসাজি নিয়ে যিনি প্রথম সরব হয়েছিলেন।
আজ তাঁর এই দাবির সঙ্গে সহমত শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ই না, আছেন আমজনতার সিংহভাগও।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মুখর এখন সারা দেশ।
গতকালই শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়েছিলেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে বিরোধী পক্ষ চাইলে পিটিশন জমা দিতে পারেন। এই ইসুতে বিরোধী দের স্মারক লিপি নেওয়ার প্রস্তাব তিনি নাকচ করেন।
কেম তিনি তা খারিজ করেছেন, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ও দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
রাহুল গান্ধী নেতৃতাধীন বিরোধী পক্ষ সেই অনুযায়ী আজ তাঁদের পরবর্তী কর্মসূচি নেন। দুপুর থেকেই দিল্লির পথে আজ জনতার ঢল নামে।। রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, নেহা বোরা প্রমুখকে নিয়ে কন্সটিটিউসন ক্লাব থেকে বাস ছাড়ার পর জনতার ঢেউ ক্রমেই বাড়তে থাকে। বারাখম্বার কাছে বাস থেকে নেমে জনতার সঙ্গে পা মেলান রাহুল, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, নেহা বোরা প্রমুখ।
অন্যদিকে বিকেলে শীর্ষ আদালতে তাঁদের হয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পিটিসন জমা দেন আইনজীবীরা।
১১ জন পিটিসনারদের প্রথমেই আছে বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর নাম। অন্যরা হলেন, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সৌগত রায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, সঞ্জয় রাউত, এম এ বেবি, ডি রাজা, মাহুয়া মাঝি, সুপ্রিয়া সুলে ও ই টি মহম্মদ বশির।
মূলত এসআইআরে অনিয়ম, ব্যাপক সংখ্যক ভোটারদের নাম বাদ ইত্যাদি বিষয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
সূত্রের খবর, আগামীকাল এসআইআর সংক্রান্ত কয়েকটি মামলার শুনানি হবে। রাহুল গান্ধী সহ বিরোধীদের দায়ের করা পিটিসনের শুনানি ও এর সঙ্গে হতে পারে।

Be the first to comment