রোজদিন ডেস্ক : আনন্দপুরের গোডাউন ও কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল আট। এখনও অন্তত ১২ থেকে ১৩ জনের খোঁজ মেলেনি। তবে মৃতদেহগুলি আগুনে এমনভাবে ঝলসে গিয়েছে তা শনাক্ত করা কার্যত অসম্ভব। ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া তা সম্ভব নয়। এদিকে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ও দমকলের ডিজি। এর আগে রবিবার গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পুড়ে ছাই হয়ে যায় মোমো তৈরির কারখানা ও গুদাম। ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না বলেই জানান দমকলের ডিজি। দিনের পর দিন অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্ন উঠছে। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ নাজিরাবাদের ঘটনাস্থলে পৌঁছন মন্ত্রী সুজিত বসু। ভস্মীভূত এলাকা ঘুরে দেখেন। দমকল আধিকারিকরা তাঁকে গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পরই দমকলের ১২টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায়, পরে ইঞ্জিন আরও বাড়ানো হয়। সারারাত কাজ করে দমকল বিভাগ যথেষ্ট পরিশ্রম করে আগুন নিভিয়েছে। কিন্তু দমকলের অনুমোদন ছাড়া কারখানা, গুদাম কীভাবে চলছিল এতদিন ধরে এনিয়ে সুজিত বসু বলেন, আইনগতভাবে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, আমরা তা নিচ্ছি। তদন্ত হবে।

Be the first to comment