PM কে কাপুরুষ বলে আক্রমণ ককরোচ নেতাদের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও তীব্র আক্রমণ শানালেন সিজেপি নেতারা। গতকাল তাঁদের ই ডাকা বিক্ষোভ নিয়ে উত্তাল হয়েছিল দিল্লির রাজপথ। যদিও সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন নি তাঁরা। সকালেই দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান থেকেই তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা-কে আটক করে পুলিশ। আজ সকালে আদালতের নির্দেশে শর্তাধীনে মুক্তি পান তাঁরা।
মুক্তির কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিক বৈঠক ডেকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকেও তীব্র আক্রমণ শানান তাঁরা। বলেন, দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন ওঁরা। এই সরকারের পতন আসন্ন বলে তোপ দাগেন।

পুলিশ যতই ধরপাকড় করুক, আন্দোলনের রাস্তা তাঁরা ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। গতকাল দিল্লি পুলিশ তাঁদের যে ভাবে আটক করেছিল, তা অপহরণ বলে মন্তব্য করেন। তাঁদের সঙ্গে রীতিমত অমানবিক আচরণ করা হয়। অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমার মৃত্যু সংবাদও অত্যন্ত অসংবেদনশীলভাবে দেওয়ার অভিযোগ করেন।
সিজেপি তরুণ নেতারা প্রশ্ন তোলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এত তৎপর কেন?
গতকাল তাঁদের আটক করার পর তিনজনকে তিন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। ফোন কেড়ে নেয় পুলিশ। দেখা করতে দেওয়া হয়নি আইনজীবীদের সঙ্গেও।

আজ সাংবাদিক বৈঠকে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে আইনজীবী রত্না সিংহ ও উপস্থিত ছিলেন। গতকাল তাঁকেও আটক করেছিল পুলিশ।
সিজেপি নেতাদের আশঙ্কা, পুলিশ তাঁদের ফোনে এমন কিছু তথ্য ঢুকিয়ে দিয়ে পরে তা দিয়ে হেনস্থা করতে পারে।
পুলিশ গুরুদ্বারের ভিতরে জুতো পরে প্রবেশ করেও ধরপাকড় চালায় বলে সৌরভ দাসের অভিযোগ। এতে শিখ ধর্মালম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে।
কেন্দ্র, দিল্লি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে দেন, তাঁদের লড়াই সবে শুরু হল।
শনিবারের পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর লজ্জিত হওয়া উচিত। জরুরি অবস্থাকেও ছাড়িয়ে গেছে এখনকার পরিস্থিতি।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে দেশদ্রোহী বলে ফের তোপ দাগেন। দেশের সাড়ে তের কোটি মানুষের নামই বাদ গেছে বলে ক্ষোভ ব্যক্ত করেন।
আজ ও গোটা দিল্লি জুড়ে কংগ্রেস, সিজেপি, বামপন্থীদের তুমুল বিক্ষোভে ধুন্ধুমার বাধে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তুলকালাম বাধে। আজও দিল্লি পুলিশ বল প্রয়োগ করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়, বহু মানুষকে আটক করে।
পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*