রোজদিন ডেস্ক :
মঙ্গলবারের পর আজ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে ধুন্ধুমার বাধে। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দিলে সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ মহিলা কংগ্রেস কর্মীরা রাস্তায় শুয়ে পড়েন। তাঁদের জোর করে তুলে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বাসের সামনে এসে আবারও রাস্তায় শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সাংসদ রাহুল গান্ধী সহ অন্যরা তাঁকে ঘিরে দাঁড়ান। প্রিয়াঙ্কার হাতে ছিল সংবিধানের একটি প্রতিলিপি।

এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় তুমুল উত্তেজনা দেখা দেয়।। পুলিশ তাঁদের আটক করে বাসে নিয়ে যাওয়ার সময় তার চাকার হাওয়া খুলে দেন ক্ষুব্ধ কংগ্রেস কর্মীরা। ফলত কস্তুরবা মার্গের কাছে তা দাঁড়িয়ে যায়৷
আজ জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে বিরোধী সাংসদদের মধ্যাহ্ন ভোজে আমন্ত্রণ করেছিলেন। এরপর তাঁরা বাসে চড়ে যন্তর মন্তরে বসে ধর্ণা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে সূত্রের খবর।
বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, তাঁরা যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে বসবেন বলে ঠিক করেছেন। ওটা নির্ধারিত বিক্ষোভ স্থল। জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের জন্য বৈধ নির্বাচন কমিশনার না,সারা দেশকে তাঁরা বলবেন। তাঁরা তিনশো জন সাংসদ গতকালও ওঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন, উনি দেখা করলেন না।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে কয়েকটি দল ছাড়া বিরোধী পক্ষ এক কাট্টা হয়ে বিক্ষোভ করছেন। গতকাল নবীন পট্টনায়কের দল বিজেডি ও তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।
ডি এম কে, আপ ইন্ডিয়া জোটের এই আন্দোলন সামিল হয়নি।
আজ আপের পক্ষে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে পৃথক ভাবে তুমুল বিক্ষোভ হয়।
যতদিন যাচ্ছে, এই আন্দোলনের ঝাঁঝ ও ক্রমেই বাড়ছে। যা নিয়ে অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির।
সম্বিত পাত্র, রবিশঙ্কর প্রসাদ প্রমুখ বিজেপি নেতারা কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন।

Be the first to comment