DURGA PUJA SHOW: আজ থেকে শুরু দুর্গাপূজা, খোলা জিপে রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, ইডেনে থ্রি-ডি প্রজেকশন, লেজ়ার শো ও আতশবাজি

Spread the love

প্রতিবেদন: পালাবদলের পর প্রথম দুর্গোৎসব। একে ঘিরে এবার কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল থেকে সমুদ্রসৈকত—রাজ্যজুড়ে এক মাসব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। রেড রোড থেকে ইডেন গার্ডেনে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের খোলা জিপে যাত্রা, থ্রি-ডি প্রজেকশন ম্যাপিং, লেজার শো, আতশবাজি, গঙ্গার ঘাটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গঙ্গা আরতি—সব মিলিয়ে একগুচ্ছ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

১০ অক্টোবর ইডেন গার্ডেনে হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। রেড রোড থেকে খোলা জিপে ইডেন গার্ডেনের উদ্দেশে রওনা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল। ইডেনে থাকবে থ্রি-ডি প্রজেকশন ম্যাপিং, লেজ়ার শো, আতশবাজি এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই দিনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ আলোকসজ্জারও আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডে গড়ে তোলা হবে ১২টি জেলার পৃথক সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী। প্রতিটি স্টলে সংশ্লিষ্ট জেলার লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য, হস্তশিল্প ও শিল্পকলার সম্ভার।

উদ্বোধনের পর ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দুর্গাপুরের গান্ধী ময়দানে ১১ ও ১২ অক্টোবর বিকেল পাঁচটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত অনুষ্ঠান হবে। শিলিগুড়ির কাওয়াখালি প্রাঙ্গণেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ১২ ও ১৩ অক্টোবর কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান এবং বিষ্ণুপুরের মেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠান হবে। ১৩ ও ১৪ অক্টোবর মালদহের বিবেকানন্দ প্রাঙ্গণ ও বহরমপুরের কিউ স্কোয়ার মাঠে আয়োজিত হবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। ১৪ ও ১৫ অক্টোবর নিউ দিঘার সৈকতেও বিশেষ অনুষ্ঠান হবে।

স্থানীয় শিল্পী, লোকশিল্পী এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলির অংশগ্রহণে প্রতিটি অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। শুধু অনুষ্ঠান মঞ্চ নয়, গঙ্গার দুই পাড়কেও দুর্গোৎসবের আবহে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। ১০ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রিন্সেপ ঘাট, বাবুঘাট, কুমোরটুলি ঘাট, মিলেনিয়াম পার্ক, রামকৃষ্ণপুর ঘাট-সহ একাধিক নদীতীরবর্তী এলাকায় আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মিলেনিয়াম পার্ক এবং বাজেকদমতলা ঘাটে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। বিভিন্ন শিল্পী ও ব্যান্ডের পরিবেশনার পাশাপাশি চারটি স্থানে গঙ্গা আরতিও হবে। পাশাপাশি রেডিয়ো ইনস্টলেশনের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হবে মহিষাসুরমর্দিনী’। দুর্গোৎসবের আবহকে আরও নিবিড় করে তুলতে আগমনী ও বিসর্জন—এই দুই পর্বের জন্য পৃথক দুটি নতুন গানও তৈরি করছে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। উৎসবের সূচনা থেকে বিসর্জন পর্যন্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে এই গান পরিবেশিত হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*