প্রতিবেদন: চোরবাগান কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতে সোমবার দক্ষিণ কলকাতার নেহরু কলোনি পুজো মণ্ডপে এবার অগ্নিকাণ্ড। উৎসবের দিনগুলিতে একের পর এক বিপর্যয়ে আতঙ্কিত মানুষ। এই আবহে এবার পর্যাপ্ত ও যথাযথ অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় তড়িঘড়ি কলকাতার তিন বড় পুজোকে নোটিশ ধরালো দমকল। প্রশ্ন উঠছে পুজো শেষের মুখে এসে কেন এই তৎপরতা?তাহলে কি এই সংক্রান্ত গাইডলাইন কি স্রেফ কাগজে-কলমেই? এই তিন পুজো হল, ত্রিধারা সম্মিলনী, বালিগঞ্জ কালচারাল এবং চেতলা অগ্রণী। এদের নোটিশ পাঠিয়ে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগুন লাগলে তা তৎক্ষণাৎ নেভানোর জন্য প্রয়োজনীয় জল বা অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারের সঠিক ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। অথচ চতুর্থী, পঞ্চমী থেকেই এই মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীরা আসছেন। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় পদপিষ্টের ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ড ঘটলে তার দায় কে নেবে! প্রশ্ন উঠছে, পুজো শুরুর আগে যখন দমকল, পুলিশ এবং পুরসভা যৌথভাবে মণ্ডপগুলি পরিদর্শন করে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা অনুমতিপত্র দিয়েছিল, তখন এই মারাত্মক ত্রুটিগুলি কেন নজরে আসেনি? দমকলের এই নোটিশের পর সাধারণ দর্শনার্থীদের মনেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

Be the first to comment