NCPI MP: ডেডলাইন শেষ হতেই ফের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন এনসিপিআই সাংসদদের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : ডেডলাইন শেষ হতেই ফের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানালেন তৃণমূলত্যাগী লোকসভার এনসিপিআই সাংসদরা। কোন দলে আছেন, এটা বলতে আরও সময় চান এনসিপিআই সাংসদরা। বারবার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও জবাব না দিয়ে ফের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা। এবার উৎসবের বাহানা করে আবেদন জানিয়েছেনরা। বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের পর একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ত্যাগ করেন তৃণমূলের ২০ জন লোকসভা সাংসদ। দলত্যাগ বিরোধী আইন থেকে বাঁচতে তাঁরা যোগ দেন অখ্যাত এনসিপিআইতে। কিন্তু সেই দলকে এখনও স্বীকৃতি দেননি স্পিকার ওম বিড়লা। সংসদ টিভি-তে তাঁদের নামের পাশে তৃণমূল সাংসদ লেখা হচ্ছে। অথচ তাঁদের দাবি মেনে অধিবেশন কক্ষে তৃণমূল সাংসদদের বসার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ২০ সাংসদের বিষয়ে লোকসভার স্পিকারের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তাঁদের সাংসদপদ বাতিল করা হবে না? কেন দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় পড়বেন না? প্রশ্ন তুলে প্রথমে লোকসভার অধ্যক্ষ ও পরে শীর্ষ আদালতেও মামলা করেন অভিষেক।

এই নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ লেখেন, সূত্রের খবর: দিল্লির ধোপাবাড়ি যাওয়া বেইমানগুলো নিজেদের দলীয় অবস্থান জানাতে পুজোকে ছুতো করে আরও দুসপ্তাহ সময় চেয়ে চিঠি দিচ্ছে। এদিকে কলকাতায় মোদিজি আর শুভেন্দুর ছবিসহ 20 জনের মুখ দিয়ে NCPI পোস্টার, হোর্ডিং করতে দিয়েছে। কোনো এক ‘বন গয়া জেনটেলম্যান’ নাকি করে দিচ্ছে। লক্ষ্য পুরভোটে তার ছেলের টিকিট। বিজেপির বেলেঘাটার কর্মীরা মানবে তো? অবশ্য খবর হল আপনাদের একাংশের কিছু নেতানেত্রী ‘ম্যানেজ’ হয়ে যাচ্ছেন নানা ওষুধে। ফুলবাগানের একটা পুজোর রমরমা কীসে হল, একটু খবর রাখুন। মেট্রোপলিটনের আগুনঝরা ভিডিও কেন ঝাঁঝ কমছে, খোঁজ নিন। যারা বাহুবল, অর্থবলে তৃণমূলটাকে শুষে খেয়েছে, তারাই এখন বিজেপি বা NCPI -এর মাধ্যমে বিজেপি দখল করতে চলেছে। বিজেপির নেতা, কর্মীরা ভেবে দেখবেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*