প্রতিবেদন: শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় শনিবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের যুব শাখার নাম জড়িয়েছিল। সিআইডি আগেই দাবি করেছিল, জমি জালিয়াতির টাকা তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সেই তথ্য অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় জেরায় স্বীকার করেছেন। তাদের আরও দাবি ছিল, সাংসদের কোষাধ্যক্ষ পরিচয় দেওয়া জনৈক টি. ঘোষ তাঁকে যুব তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু এই ঘটনার পর ২৪ ঘন্টাও কাটল না। সুমিত রায়ের আইনজীবী রবিবার সন্ধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ধৃত সুমিত নাকি এই রকম কিছু বয়ানই দেননি। রাতে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, সুমিত রায়ের বয়ান বলে যা সামনে এসেছে, তার পুরোটাই ভিত্তিহীন। সুমিতের আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, এক সপ্তাহ আগেও এরকম খবর সামনে এসেছিল সুমিতের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি করা হয়েছে তা তিনি স্বীকার করে নিয়েছে। কিন্তু তার পরে সুমিতের সঙ্গে দেখা করলে তিনি বলেন, এটা পুরো মিথ্যে, এরকম কিছুই তিনি বলেননি। তাঁর দাবি জেরায় সুমিত বলেছেন, দলের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি দেখেন কোষাধ্যক্ষ। ২০২০ সাল পর্যন্ত তমোনাশ ঘোষ এই দায়িত্বে ছিলেন, তারপর দায়িত্ব আসেন অরূপ বিশ্বাস। এখন শুভাশিস চক্রবর্তী। তারা যেমন বলতেন সেই মতো সুমিত রায় টাকা জমা করতেন। পার্টি সদস্যপদ বাবদ যে নগদ টাকা আসত সে সব পার্টির ফান্ডে জমা করত। নিয়মিত এর অডিট করা হত। এই তথ্য ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট এবং নির্বাচন কমিশনকেও নিয়ম মেনে জানানো হত। ফলে এর মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও ভূমিকা ছিল না।

Be the first to comment