রোজদিন ডেস্ক : সোমবার সন্ধে সাতটা। উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন? আমরা কি ধরনা তুলে নেব? সমস্বরে উত্তর এল “তুলে নিন ধরনা”। এরপরই জনতার রায় মেনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঝাড়া ৫ দিন পর ধরনা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী। ফলে ধরনায় ইতি টানল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, আমরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দিয়েছি। কোর্ট বলেছে একজনের নামও বাদ যাবে না। প্রয়োজনে ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। এটাই আমাদের বড় জয়। অভিষেকও অনুরোধ করেছিল ধরনা তুলে নিতে। তাই জনতার রায় নিয়ে আমি ধরনা তোলার ঘোষণা করলাম। কিন্তু এসআইআর নিয়ে আদালতে ও রাস্তায় আমাদের লড়াই জারি থাকবে। আপনারা চিন্তা করবেন না, আমি থাকতে একজন বৈধ ভোটারের নাম কাটতে দেবো না। দরকারে আবার সুপ্রিম কোর্টের দরজায় যাবো। ভোটের পরও সেই সুযোগ থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এদিন ধরনা মঞ্চ থেকে তিনি সোজা রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান।
এর আগে চক্রান্ত করে এসআইআরের নামে বাংলার মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। বাদ দেওয়া হচ্ছে নাম। এর প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার ৬ মার্চ থেকে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে তাঁরা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ধরনামঞ্চ থেকে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শীর্ষ আদালত বলেছে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত নাম তোলার সুযোগ থাকবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।এবার আমরা বিচারের অপেক্ষায়। মানুষ অধিকার পাবে। যে দরজাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আমরা লড়াই করে সেটা খুলতে পেরেছি।
এদিন এসআইআর ছাড়াও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

Be the first to comment