রোজদিন ডেস্ক : বিহারের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এস আই আর এর বিরোধিতা -সহ নানা ইসুতে রাহুল গান্ধী-র নেতৃত্বে আন্দোলন সাড়া জাগিয়েছে সারা দেশেই। যা বিজেপির অন্দরে ও অস্বস্তি সৃষ্টি করেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ নিয়ে এইদিন বিহারে তুলকালাম বাধে। যার রেশ পড়েছে এই রাজ্য সহ অন্যত্র ও।
বিহারের পাটনায় এইদিন কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ বাধে। উভয় পক্ষের সমর্থকদের দলীয় পতাকা নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন। দু-পক্ষের খন্ডযুদ্ধে উত্তপ্ত হয়েছে রাজধানী পাটনা।

অন্যদিকে কলকাতায় বিজেপি সমর্থকদের প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আক্রমণ নিয়ে উত্তাপের পারদ চড়েছে রাজ্য রাজনীতিতেও।
সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও তে দেখা যায়, বিজেপি র পতাকা নিয়ে একদল মারমুখি জনতা প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর বিধান ভবনে হামলা চালায়। এর নেতৃত্বে রাকেশ সিং ছিলেন বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভংকর সরকারের অভিযোগ। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শুভংকরবাবু রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কে চিঠি দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন,
সমাজবিরোধী রাকেশ সিং এর নেতৃত্বে এইদিন সকালে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে ব্যাপক হামলায় বহু সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। চোর কাপুরুষের মত এই হামলা চলার অভিযোগ করে শমীকবাবুকে অবিলম্বে রাকেশ সিং-এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুভংকর বাবু দাবি জানান। বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে রুচিবান ও সংস্কৃতিবান বলে জানেন মন্তব্য করে আরও বলেন, রাকেশ সিং-রা ভোট চুরি চলছে চলবে বলে স্লোগান দিয়েছেন! অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার না করলে ও দল ব্যবস্থা না নিলে কংগ্রেস করমীরা নীরব থাকবেন না বলে ও তিনি হুশিয়ারি দেন।
মারমুখি বিজেপি সমর্থক রা এইদিন বিধান ভবনে জোর করে প্রবেশ করে নেতাদের ছবিতে কালি লেপে দেয়,,ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভংকর সরকার বিজেপি রাজ্য সভাপতি কে কটাক্ষে বিধে আরও লেখেন, যদি তারা রাকেশ সিং সহ দুষ্কর্ম্মে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেন, তবে বুঝতে হবে জননায়ক রাহুল গান্ধী ভোট চুরি নিয়ে যে অভিযোগ তুলেছেন,,তারা ও তা মেনে নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তাঁর মা-কে কংগ্রেস এর মঞ্চ থেকে প্রকাশ্যে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে দ্বারভাঙা পুলিশ মহম্মদ রিজভি ওরফে রাজা-কে গ্রেফতার করেছে।
অন্যদিকে কংগ্রেস ও বিজেপি পরস্পরকে উপযুক্ত উত্তর দেবে বলে হুশিয়ারি দেওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়বে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করেন।
অসমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও কংগ্রেস-কে এই সব নিয়ে তীব্র ধিক্কার জানান।

Be the first to comment