ভারত : ১৭৫/৭
পাকিস্তান: ১১৪ অল আউট
ভারত ৬১ রানে জয়ী
ম্যাচ বয়কট করলে অন্তত এমন বেইজ্জতি হত না। রবিনাসরীয় ম্যাচের পর হয়তো এমনই ভাবছে পাক শিবির। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের হাতে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর পাকিস্তানের মুখ দেখানোর অবস্থা নেই। সূর্যকুমার, ঈশান কিষানদের দাপটে কার্যত নতজানু হল পাকিস্তান। না৷ ব্যাটিং, না বোলিং, সবেতেই ফ্লপ পাক শিবির। ভারতের ১৭৫ চেজ করতে নেমে বাবর আজমরা গুটিয়ে গেলেন ১১৪ তেই। ২০ ওভারের ম্যাচে ৬১ রানে।হার। নামিবিয়ার এবার লজ্জা পাবে। উল্টোদিকে সাফল্যের সঙ্গে পাক বধ সেরে ভারত পৌঁছে গেল বিশ্বকাপের সুপার এইটে। পরিসংখ্যান বলছে, টি-২০ বিশ্বকাপে এই নিয়ে আটবার পাকিস্তানকে হারাল ভারত।পাক অধিনায়ক সলমন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠালেন। রান তাড়া করা তুলনায় সহজ হবে হয়তো।এমনই ভেবেছিলেন, কিন্তু সেটাই কাল হল। পাকিস্তানের কাজ আরও কঠিন করে তুললেন ঈশান, অক্ষর, বুমরাহরা। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মাকে তুলে ভালো শুরু হলেও ম্যাচের রাশ হাতে রাখতে পারেনি পাকিস্তান। অভিষেকের উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে নেন ঈশান কিষান। পাকিস্তানের বোলারদের যেভাবে তিনি মাঠের বাইরে ফেললেন তাতে ছিল আত্মবিশ্বাস। ৪০ বলে ৭৭ রান করে সাইম আয়ুবের বলে যখন তিনি আউট হচ্ছেন, তখন ভারত অনেকটাই শক্ত ভিতের উপর। তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ারা ব্যর্থ হলেও সূর্য ধরে খেলে ৩২ রান করে উসমান তারিকের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। পাক অধিনায়কের দুই সিদ্ধান্তে ভারতের কাজ সহজ হয়ে যায়। এক, ঈশানের ব্যাটিংয়ের সময় উসমানকে বল করতে না আনা, দুই, শেষ ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে বোলিংয়ে নিয়ে আসা। ওই ওভারে রিঙ্কু, শিবম তুললেন ১৬ রান। ভারতের রান দাঁড়াল ১৭৫। জবাবে পাক ব্যাটিং নিয়ে বলার মতো বিশেষ কিছু নেই। কিছুটা মরিয়া হয়ে লড়াই করলেন উসমান খান। কিন্তু তার ৪৪ কাজে এল না। কারণ, বাকিদের অসহায় আত্মসমর্পণ। শাদাব খান, নওয়াজরা ব্যর্থ হলেন। শাহিন আফ্রিদির ২৩, তাই কিছুটা লড়াই করল। ভারতের ফিল্ডাররা দু’টো ক্যাচ না ফেললে আজ আরও বড় লজ্জায় পড়তেন বাবর আজমরা।

Be the first to comment