রোজদিন ডেস্ক : ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিরোধীরা একে “বেকার ভাতা” বলে কটাক্ষ করতে শুরু করে। কিন্তু সে সব সমালোচনায় কান না দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকেন। পূর্ব ঘোষণা মত গত রবিবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্তিকরণ। ২৯৪ কেন্দ্র ধরে ধরে শিবির করা হয়েছে। আর বিরোধীদের যাবতীয় কটাক্ষ উড়িয়ে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ তরুণ, তরুণী, যুবসমাজ শিবিরে ভিড় জমাচ্ছে। আজ মঙ্গলবার শিনিরের তৃতীয় দিন। এখনও পর্যন্ত যা প্রবণতা কোটি ছাড়িয়ে যাবে এই সংখ্যা। সরকারি তথ্য বলছে, সোমবার শিবির বন্ধ হওয়া পর্যন্ত যুবসাথী-র আবেদন সংখ্যা ১৩ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শুধুমাত্র সোমবারেই যুবসাথী প্রকল্পে ৮ লক্ষের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। রবি ও সোমবার মিলিয়ে ‘স্বনির্ভর বাংলা’ কর্মসূচির শিবিরগুলিতে মোট উপস্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে ১৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮১২টি আবেদন জমা পড়েছে যুবসাথী প্রকল্পে। সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত অনলাইনে জমা পড়েছে আরও ১ লক্ষ ২০ হাজার আবেদনপত্র। শিবিরে দু’লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষেতমজুরদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্প এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্যও আবেদন করেছেন।
রাজ্য বাজেট ঘোষণা অনুযায়ী মাধ্যমিক পাশ ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী কর্মহীন যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে প্রকল্প কার্যকর হবে। সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত এই ভাতা দেওয়া হবে। তবে এর মধ্যে কেউ চাকরি পেলে সেই সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।

Be the first to comment