রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- জেলা সভাপতির পদ হারিয়ে প্রথমবার কোর কমিটিক বৈঠকে যোগ দিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৈঠকে হাজির ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বৈঠকে মুখোমুখি কাজল-কেষ্ট। কোর কমিটি বৈঠক চলাকালিন অনুব্রতকে ফোন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বীরভূমের তিনটি মহকুমায় মহা মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন কেষ্ট। সেই মিছিল করার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী। এদিন বৈঠক শেষে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন কাজল শেখ। কোর কমিটির বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয় সেদিকে নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই শুক্রবারই তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক রদবদল করা হয়েছে। বীরভূমের জন্য সাতজনের কোর কমিটি গঠন করেছে তৃণমূল। বীরভূমের জেলা সভাপতি পদই আর রাখল না শাসকদল। এরপরই তড়িঘড়ি কোর কমিটির বৈঠক ডাকা হল। অনুব্রত মণ্ডল “বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি পদ খোওয়ানোর পর রবিবার প্রথম বোলপুরে জেলা তৃণমূল দলীয় কার্যালয় কোর কমিটি বৈঠক হল। এখন শুধুই কোর কমিটির সদস্য অনুব্রত মণ্ডল। এবার থেকে বীরভূমের দুই সাংসদকে কোর বৈঠকে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে দলের তরফে।
বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বৈঠক থেকে ব্যক্তিগত কাজের কারণ দেখিয়ে বেরিয়ে যান সুদীপ্ত ঘোষও। ছিলেন না চন্দ্রনাথ সিনহাও। এদিন সাড়ে ১১ টা থেকে বৈঠক শুরু হয়। চলে ১২টা ২০ পর্যন্ত। মাত্র ৪০ মিনিটের শেষ কোর কমিটির বৈঠক।
আশিষ ব্যানার্জীর কথায়, সোশাল মিডিয়ায় অনুগামীদের বিভাজন মূলক পোস্টে নিয়ন্ত্রণ করা হবে, প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ করবে দল। পাশাপাশি, তিন মহকুমায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে সিলমোহর দিয়েছে কোর কমিটি। কোন বিভাজন নেই। আগামী দিনে এক সঙ্গে, যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েই দল চলবে। বৈঠক শেষে কাজল শেখ বলেন, তৃণমূল মেত্রীর নির্দেশে সবটাই হচ্ছে। আগামীদিনে দুবার করে কোর কমিটির বৈঠক হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। বীরভূম জেলা তৃণমূল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। বিধানসভা ভোটে সবাই একজোট হয়ে লড়াই করবে। এই বীরভূম থেকে তৃণমূল ১১-০ জিতবে।

Be the first to comment