রোজদিন ডেস্ক : এ রাজ্যের প্রায় পাঁচটি জেলার ৫০-এর ওপর আসনে ফ্যাক্টর মতুয়া ভোট। তাই বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে মতুয়াদের আসল শুভানুধ্যায়ী কারা, এই নিয়ে তৃণমূল আর বিজেপির লড়াই ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। বঙ্গে এসআইআর নিয়ে তুমুল আতঙ্কে মতুয়া সম্প্রদায়। খসড়া তালিকায় প্রচুর মতুয়ার নাম বাদ যাওয়ায় সেই আতঙ্ক কয়েকগুণ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার মতুয়া অধ্যুষিত রানাঘাটের তাহেরপুরে জনসভা করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তিনি সভায় যেতে পারেননি। পরে এক্স হ্যান্ডলে মতুয়াদের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় তিনি লেখেন, মতুয়া, নমঃশূদ্ররা তৃণমূলের দয়ায় নয়, সিএএ-র অধিকারে মাথা উঁচু করে ভারতে বসবাস করছেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিক। এই সিএএ আমাদের সরকারের করা। আমরা বাংলায় ক্ষমতায় এলে মতুয়াদের জন্য আরও অনেক কিছু করব। এখন মোদির এই আশ্বাসবাণীতে চিড়ে কতটা ভিজবে বলা কঠিন। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়াদের যেভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে মতুয়াদের পাশে থেকেছেন তাতে মতুয়াদের মধ্যে তার প্রভাব অনেকটা। এমনকী ঠাকুরবাড়ির অন্দরেও তৃণমূলের প্রভাবই বেশি। এখন দেখার তৃণমূল, বিজেপির এই টাগ অফ ওয়ারে শেষ পর্যন্ত মতুয়া ভোট কাদের ঝুলিতে যায়।

Be the first to comment