রোজদিন ডেস্ক : ফের এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই সঙ্গে সাফ জানিয়ে দিলেন, কমিশন সাসপেন্ড করলেও কোনও অফিসারের চাকরি যাচ্ছে না। রাজ্যের যে ৭ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছিল নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার তাঁদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা শাস্তি দিলে আমরা প্রোমোশান দেবো। কারও চাকরি যাবে না। তাঁরা নির্বাচনের কাজ করবেন না। তবে জেলায় ভালো কাজ করবেন। তাঁর অভিযোগ, ওই সাতজনকে শাস্তি দেওয়া হল, কিন্তু তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ দেয়নি কমিশন।
এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে প্রথম থেকেই কমিশনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন মমতা। ‘টর্চার কমিশন’ তুঘলকি কাজ করছে বলেও কটাক্ষ করে তিনি। এসআইআরে বিহারের ক্ষেত্রে এক নিয়ম, বাংলায় ক্ষেত্রে আলাদা কেন, প্রশ্ন তুলে বলেন, বিহারে যে নথি যোগ্য, বাংলায় বাদ কেন? কেন বারবার টার্গেট বাংলা? ‘নির্বাচন কমিশনকে “ক্যাপচার কমিশন’ বলে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, সকালে একটা হোয়াটস অ্যাপ, দশ মিনিট
পর আরও একটা, এভাবে সারাদিন মেসেজ আসছে? এটা কোথাকার সিস্টেম, এরা সুপ্রিম কোর্টকে মানছে না, সরকারে আছে বলে যা ইচ্ছে তাই করছে। তবে আর বেশিদিন থাকবে না।
বাংলাদেশের ভোটের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওখানকার ভোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। আমাদের বর্ডার স্টেট। ওখানে সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে। আর এদিকে নির্বাচন কমিশনের দৌলতে ভোট প্রক্রিয়া জটিল করা হচ্ছে। বাংলায় খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে নলেন, এআই ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সবটাই বিজেপির নির্দেশে। কমিশন ওদের কথায় কাজ করছে। তবে কমিশনের সবাই খারাপ নয়। বিজেপিকে খুশি করতে নাম বাদ গিয়েছে বহু বৈধ ভোটারের। ওই নাম বাতিলের তালিকা কোথায়? বিজেপির হয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আমায় আঘাত করলে আমি কিন্তু প্রত্যাঘাত করি। আত্মসমর্পণ করব না।যদি একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যায়, আমরা কিন্তু ছাড়বো না।

Be the first to comment