কেন রাহুল গান্ধীকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না, প্রশ্ন তুললেন ক্ষুব্ধ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : কেন বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীকে সংসদে বলতে দেওয়া হচ্ছে না বলে প্রশ্ন তুললেন সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। আজ দৃশ্যত ক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেত্রী বলেন, তবে তাঁরা সংসদে প্রতিদিন কেন আসছেন? লোকসভার বিরোধী নেতাকে এই ভাবে বলতে না দেওয়া গণতন্ত্র নয়। এটি খুব দুঃখজনক, হাস্যকরও যে কিছুতেই রাহুলকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে রাহুল গান্ধী জানান, “সংসদের এক সদস্য অধ্যক্ষর কাছে গেলে তিনি আশ্বাস দেন যে আমায় বলতে দেওয়া হবে। আমি কিছু পয়েন্ট তুলতেও পারবো। কিন্তু আপনি নিজের কথা থেকে সরে গেলেন। আমি জানতে চাই, আমায় বলার অনুমতি দেবেন না দেবেন না? ”
পরিষদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে বলেন, ওঁর জন্যই প্রতিদিন অধিবেশন বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অধ্যক্ষকে নিশানা করে বলেন, উনি কিভাবে প্রধানমন্ত্রী সভায় এলে আক্রান্ত হওয়ার কথা বললেন? অধ্যক্ষর ওপর এত চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে যে উনি নিজে কোন বিবৃতি দেন নি। ক্ষুব্ধ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আরও বলেন, মহিলা সাংসদরা কখনোই প্রধানমন্ত্রী র ওপর হাত তুলতে পারেন না। তিনি সহ তাঁর দলের ১১ জন মহিলা সাংসদ আছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই খুবই সিরিয়াস। সরকারের চাপে অধ্যক্ষ এই বিবৃতি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে অধ্যক্ষ জানান, তিনি খবর পেয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী সংসদে এলে মহিলা সাংসদরা তাঁর ওপর চড়াও হতে পারেন, তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আসতে বারণ করেন। অধ্যক্ষ র এই বক্তব্য নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সূত্রের খবর, আজ কংগ্রেসের মহিলা সাংসদরা এই বিষয়ে অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন, সেখানে তাঁরা বলেন,সরকারের চাপে ই অধ্যক্ষ এই ভিত্তিহীন, অসত্য, বদনামি কথা বলেছেন। বিরোধী নেতাকে পরপর চারদিন বলতে দেওয়া হয়নি, অথচ বিজেপি সাংসদ (নিশিকান্ত দুবে!) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য রাখলেন! সংসদে তাঁদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণই ছিল, সংসদীয় রীতিনীতি মেনে তা হলেও তাঁরাই নজিরবিহীন ভাবে নিশানা হলেন!
মহিলা সাংসদদের আরও দাবি, যখন তাঁরা অধ্যক্ষর কাছে ওই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে দরবার করেন, উনি শুধু ভুল হয়েছে বলেন, কিন্তু স্বাধীন ভাবে কোন ব্যবস্থাও নিতে পারেননি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*