রোজদিন ডেস্ক: মালদার ভূতনি র বন্যা পরিস্থিতি এখন ও সঙ্কট জনক। প্রায় দু সপ্তাহ ধরে লক্ষাধিক মানুষ ওখানে জলবন্দি।। ত্রাণের জন্য হাহাকার চরমে।। আজ স্থানীয় বিধায়ক গৌরচন্দ্র মন্ডল সরকারি ত্রাণ নিয়ে উত্তর চন্ডীপুরের গিরিধারীটোলায় পৌঁছলে স্থানীয় মানুষ কার্যত তাঁকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, ত্রাণ কোথায়? তা মিলছে না।।
প্রসঙ্গত, প্রবল বর্ষার দাপটে, প্রতিবেশী একাধিক রাজ্য থেকে নেমে আসা জলে গঙ্গার জল দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে ভেঙেছে ভূতনির বাঁধ। চলতি মাসের শুরু থেকেই কালুটোনটোলার ভাঙা অংশ দিয়ে হু হু করে জল আসছে। প্লাবিত ৫৯ টি গ্রাম।।আবাদি জমি, রাস্তাঘাট সব জলের তলায়। মানুষের দুর্গতি চরমে। স্কুল বন্ধ। সূত্রের খবর, ভূতনির বন্যা রুখতে আগে কেন্দ্র ১৫০০ কোটি টাকা দিতো, ২০১১ সালের পর তা কমে ৩০ কোটি টাকা হয়েছে।
বর্তমান সরকার বন্যা রুখতে ৩৬০ কোটি টাকা মঞ্জুর করলেও কাজ শুরু করতে দেরি আছে। আপাতত বন্যা ত্রাণে ৫ কোটি বরাদ্দ হয়েছে।
বুধবার এলাকার বিধায়ক যাওয়ার খবর পেয়ে বন্যা দুর্গত মানুষ জন ছোট ছোট নৌকা এনে তাঁকে ঘিরে ফেলেন। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ত্রাণ নিতে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা নামলেও সমস্যা মেটেনি।
সিপিএমের তরুণ নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি ও এইদিন বন্যাদুর্গত ভূতনিতে যান। তাঁর অভিযোগ, সরকারি আশ্বাস সত্বেও ত্রাণ মিলছে না। কেন প্রতি বছর বাঁধ ভাঙছে প্রশ্ন তোলেন। দুর্গত মানুষ জনের সঙ্গে কথা বলেন।।নৌকা করে বিভিন্ন প্লাবিত এলাকায় ও যান তিনি।

Be the first to comment