রোজদিন ডেস্ক :
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিরোধীদের দাবিকে তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশে তোপ দাগলেন একদা দুই পরম শত্রু সিপিএম – মমতার সাম্প্রতিক বন্ধুত্বকেও। এই সব নিয়ে রবিবারের সকাল জমে উঠলো রাজনৈতিক তরজায়।
গতকালই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয় এসআইআর সহ সব সিদ্ধান্তই যৌথ ছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক সিদ্ধান্ত নয়। আজ এই নিয়ে বিরোধীদের এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে বিজেপির জয় যাঁদের সহ্য হচ্ছে না, তাঁরাই একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে শোরগোল করার চেষ্টা করছেন।
গতকাল নির্বাচন কমিশনারদের ছবি ও তুলে ধরেন তিনি।
এই ইসু নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সিপিএমের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সাম্প্রতিক যোগাযোগকে তীব্র কটাক্ষে বেঁধেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওরা (মমতা ব্যানার্জির দল) রাজ্যে বিপুল ভাবে পরাজিত। কাগজের রিপোর্ট নিয়ে জনগণের রায় অস্বীকার করার চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গে জুটেছে সিপিএম। যাদের সঙ্গে লড়াই করে মমতা ব্যানার্জির দল তৈরি হয়েছিল, এখন তাদের সঙ্গেই উনি হাত মেলাচ্ছেন।
রাহুল গান্ধী, মমতা ব্যানার্জি, এম এ বেবি যেন এক সঙ্গে থাকেন বলে তিনি কটাক্ষ করেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, উনি প্রথম থেকেই এস আই আরের বিরোধিতা করেছেন। নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। এখন বিভ্রান্তিমূলক কথা বলে নির্বাচিত সরকারকে আক্রমণ করছেন,কমিশন কে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচার করছেন। ফাঁকা মাঠে দাঁড়িয়ে আজাদি ধ্বনি দিচ্ছেন। জনগণের রায় মানতে পারছেন না। তাই আতঙ্কিত, সন্ত্রস্ত হয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি বিধানসভায় সিপিএমের একমাত্র বিধায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিয়ে বিলে মমতাপন্থী বিধায়ক দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভোট দিয়েছিলেন বলে তোপ দাগেন। প্রসঙ্গত তিনি সাঁই বাড়ি, নেতাই, নন্দীগ্রাম ইত্যাদির কথাও বলেন।
গতকাল শ্রীরামপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সভা নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওখানে ৫০০ র বেশি লোকও হয়নি। পুলিশ আর মিডিয়া মিলে ৩৭০ জন ছিলেন। বাকিরা ছিলেন ওঁদের সমর্থকরা৷

Be the first to comment