রোজদিন ডেস্ক : কয়েক হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। হঠাৎ করে ২৬৭টি বিএড, পলিটেকনিক, আইটিআই ও ফার্মা কলেজে নতুন বর্ষে ভর্তি না করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতর। কারণ এতে বহু পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়বে। তারা কোথায় ভর্তি হবে, এটাই বড় প্রশ্ন। উচ্চশিক্ষা দফতরের অভিযোগ, যেখানে ভর্তি বন্ধ করা হয়েছে, সেখানে কোথাও পঠন-পাঠনের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই, কোথাও পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর নেই। তাই মোট ২৬৭টি বিএড, পলিটেকনিক, আইটিআই ও ফার্মা কলেজে পড়ুয়াদের নতুন বর্ষে ভর্তি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় গুণমান নির্দিষ্ট করলে তবেই অনুমতি দেওয়া হবে। এই নিয়ে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনও কলেজের অনুমোদন আমরা বাতিল করতে চাই না। তাদের আমরা আগামী শিক্ষাবর্ষের মধ্যে পরিকাঠামো ও পঠনপাঠনের গুণগত মান বৃদ্ধি করার সুযোগ দিয়েছি। এই সব উন্নতি হলে পরের সেশনে আমরা ভর্তির অনুমতি দেবো। তাঁর মতে, ডিগ্রি বিক্রির দোকান খুলে যাতে এই প্রতিষ্ঠানগুলি না চলে তার জন্যে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের কলেজগুলির গুণমান বজায় রাখতে পরিদর্শক টিম পাঠানো হয়েছিল। প্রথম দফার পরিদর্শনের পরে ১৫৬টি বিএড কলেজকে ২০২৬ থেকে ২৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে ৪৫১টি বিএড কলেজকে শোকজ নোটিশ ধরানো হয়। এ ছাড়াও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতেও বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ৯টি কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনও উত্তর দেয়নি। বাকি কলেজগুলির জবাবের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফার পরিদর্শন করেন নবনিযুক্ত ইনস্পেক্টর। তাতে দেখা গিয়েছে ২৩৭টি কলেজ গুণমান অতিক্রম করেছে। তাদেরকে ৪ নভেম্বর থেকে ভর্তি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যারা অনুমতি পায়নি, তারা পরিকাঠামোর উন্নতি করে সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে পরের শিক্ষাবর্ষে ভর্তি নিতে পারবে। সব মিলিয়ে রাজ্যের ২৬৫টি আইটিআই কলেজের মধ্যে ১৪টি আইটিআই-এর কোনও পরিকাঠামো না থাকায়, ১৩৪টি ফার্মা কলেজের মধ্যে ৩৮ কলেজে ছাত্রভর্তি বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও ৭৪টি পলিটেকনিক কলেজের মধ্যে একটিতে ভর্তি বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

Be the first to comment