রোজদিন ডেস্ক : শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও খুনের সুপারি পাওয়া গ্যাংস্টারের কোনও খোঁজ নেই। বিভিন্ন ফোন কল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাদের দাবি, ধৃত ময়াঙ্ক মিশ্রকে জেরা করে একাধিক তথ্য মিলেছে। তার ভিত্তিতে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু মূল অভিযুক্তরা এখনও অধরা। তবে খুনের সুপারি দেওয়া হয়েছিল এই রাজ্য থেকেই, এই বিষয়ে একমত তদন্তকারীরা। তাদের দাবি সুপারির টাকা এই রাজ্য থেকে পৌঁছেছিল রাঁচির এক ব্যবসায়ীর কাছে। সেখান থেকেই টাকার ভাগ পেয়েছিল ময়াঙ্ক। এখন সেই ব্যবসায়ীর খোঁজ চলছে। তাকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। এখন তাকে পেলেই মিলতে পারে খুনের লিংক। গাড়ির তথ্যপ্রমাণ লোপাট, নতুন বাইক কেনা সহ একাধিক কাজে সেই টাকা ব্যবহার হয়েছিল। আর এই গোটা কাজটিই করেছিল ময়াঙ্ক। তদন্তে নেমে এই তথ্য এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। এখন ওই ব্যবসায়ীর কাছে কে কোথা থেকে টাকা পাঠিয়েছিলেন, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। ময়াঙ্ককে জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, সে রাঁচিতে একটি কম্পিউটার সেন্টারে কাজ করত। সেই কাজের সূত্রে গাড়ির তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, নকল নম্বর প্লেট তৈরির কারসাজি শিখেছিল সে। এর জন্য বড় অঙ্কের টাকা পেয়েছিল ময়াঙ্ক।

Be the first to comment