রোজদিন ডেস্ক :
সকাল থেকে তাঁর জন্য অধীর অপেক্ষায় ছিলেন জনতা। বিকেল চারটের কিছু পর আকাশে প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার দেখা মাত্র আনন্দ, উচ্চাসে উদ্বেল সমবেত মানুষ জন।
প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে এলেন ঘড়ির কাঁটা তখন চারটে পঁচিশ ছুঁই ছুঁই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যপাল আর এন রবি সহ বিশিষ্টদের সমাগমে অনুষ্ঠান শুরু হোল। প্রথমে বন্দে মাতরম বাদ্য ধ্বনি, ঠোঁট মেলাতে দেখা গেল মোদিজিকেও। এরপর জাতীয় সঙ্গীত বেজে উঠল। রাজ্যে শুরু হোল এক নতুন সূচনা।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রীকে বাবা তারকনাথ, দুর্গা মুর্তি উপহার দেন, এই ছাড়া দেন রসগোল্লা, চন্দননগরের বিখ্যাত জলভরা সন্দেশ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর উচ্ছসিত প্রশংসা করে কোটি কোটি প্রণাম নিবেদন করেন৷ আগের সব রাজ্য সরকার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির অবদান ভুলিয়ে দিতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ করেন। জানান, আগামী ২৩ জুন আত্মবলিদান দিবস, ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি র জন্মদিন পালন করার আহবান জানান। বলেন, তাঁর স্মৃতিতে কলকাতায় স্মৃতি সৌধ স্থাপিত হবে। তাঁর ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষে এই মাপের মুর্তি স্থাপন করা হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের রাষ্ট্রবাদী সরকার মানুষের আশা পুরণ করবে বলেন।
মুখ্যমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যর পর রাজ্যের মনীষীদের নিয়ে একটি তথ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর “ও আমার দেশের মাটি” গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এরপর অতিথি বরণে লোক নৃত্য পরিবেশিত হয়। তোমায় হৃদ মাঝারে রাখব, বাউল গান হয়। একতারা সহযোগে বাউলদের এই গান অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা এনে দেয়। যা হাসিমুখে রীতিমত উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Be the first to comment