রবিবার থেকেই বাংলায় খেল দেখাবে ‘ইয়াস’! সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা কোন কোন এলাকায়? নাম উল্লেখ করে সতর্ক নবান্নের

Spread the love

আমফানের ক্ষত এখনও সারিয়ে উঠতে পারেনি বাংলা। ঠিক এক বছরের মাথায় করোনা আবহেই ফের ভ্রূকুটি ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’- এর। বুধবার এ নিয়ে রাজ্যকে সতর্কবার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে নবান্ন।

রাজ্যকে সতর্কবার্তায় কেন্দ্র জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। ‘ইয়াস’-এর সম্ভাব্য অভিমুখ বাংলা-ওড়িশা উপকূল। ২৫ মে থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর বাড়বে বৃষ্টির পরিমাণ। ২২ মে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তা পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালিতে বিশেষ নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। স্থানীয় প্রশাসনকে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘা, শঙ্করপুরের মতো সামুদ্রিক এলাকাগুলির ক্ষেত্রেও রয়েছে সতর্কবার্তা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বাংলাদেশ এবং ওড়িশা উপকূলেও।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন, তাঁদের রবিবারের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরিকালীন ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নবান্ন। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর, উপকূলবর্তী সাইক্লোন সেন্টারগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সেন্টারগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার, পানীয় জল, ওষুধ মজুত রাখা হয়েছে।

পরিস্থিতি সামলাতে তৎপর প্রশাসন। তবে গত বছরও করোনার লড়াইয়ের মধ্যেই রীতিমতো বাংলাকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন আমফানের ঝাপটা। এবারও তেমনটা হবে না তো! প্রহর গুনছে বাংলা। একে বাংলায় বেলাগাম করোনা সংক্রমণ, তার ওপর রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ চার নেতা-বিধায়ক জেলে, নারদ মামলায় যুক্ত হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও- এই গোটা আবহের মধ্যে এই বিপর্যয়ের মোকাবিলা করা সত্যিই প্রশাসনের কাছে নয়া চ্যালেঞ্জ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*