রোজদিন ডেস্ক : সিপিএমের দৈনিক মুখপত্র র প্রাক্তন সম্পাদক নারায়ণ দত্ত চলে গেলেন। আজ সকালে বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ফেলেন।।গণশক্তি পত্রিকার শুরু থেকে যুক্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন রাজ্য কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক, সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নামে। আজীবন কমিউনিস্ট আদর্শে বিশ্বাসী, মৃদুভাষী, সুভদ্র, প্রচার বিমুখ নারায়ণ দত্ত অত্যন্ত সাধারণ পরিবার থেকে বামপন্থী আন্দোলনে যুক্ত হন। অভাবের মধ্যেও কখনও নিজের আদর্শচ্যুত হননি। প্রথম জীবনে সাংবাদিক থাকায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রগতিশীল সঙ্গেও তাঁর হৃদ্য সম্পর্ক ছিল। ওই দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন, ওয়াকেবহাল ছিলেন তিনি।
এই ছাড়া আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, এশিয়া,বিশেষত পুর্ব, দক্ষিণ এশিয়ার ঘটনাবলী নিয়ে তাঁর গভীর পর্যবেক্ষণ ছিল।
গণশক্তির কর্মীদের প্রতি তাঁর স্নেহশীল ব্যবহার, তাঁদের রাজনৈতিক পাঠে ছিলেন অভিভাবকের মত। দল, সংগঠনকে গড়ে তোলার চেষ্টায় ছিলেন সদাব্যস্ত।
বিকেলে তাঁর মরদেহ সিপিএম রাজ্য দফতরে নিয়ে আসা হয়। প্রবীণ নেতা বিমান বসু অনুজপ্রতিম নারায়ণ দত্তর নিথর দেহে রক্তপতাকা তুলে দেন। শ্রদ্ধা জানান শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, তপন সেন,সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ি, বিমান ব্যানার্জি প্রমুখ।
বিশিষ্ট সিপিএম নেতা রবীন দেব, কল্লোল মজুমদার, সুদীপ সেনগুপ্ত, কৌস্তুভ চ্যাটার্জি , শতরূপ ঘোষ, পুত্র রিচীক দত্ত প্রমুখ শ্রদ্ধা জানান।
গণশক্তি দফতরে প্রয়াত নারায়ণ দত্ত-কে শেষ শ্রদ্ধা জানান অজয় দাশগুপ্ত, দেবাশিস চক্রবর্তী, অরূপ দাস সবাই। নারায়ণ দত্ত লাল সেলাম, অমর রহে ধ্বনির মধ্যে তাঁর দেহ কেওড়াতলা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়।

Be the first to comment