আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কাশ্মীর প্রশ্নে ইরানই ছিল ভারতের ত্রাতা, মনে করালেন সোনিয়া গান্ধী

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের ত্রাতা হয়েছিল ইরানই, এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে করিয়ে দিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খোমেইনির হত্যায় ভারতের নীরবতা নিয়ে বিস্মিত তিনি। এক নামী ইংরেজি দৈনিকে অতীতের সেই ছবি সুচারুভাবে তুলে ধরেছেন তিনি। জানান, ১৯৯৪ সালে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থাকে (ওআইসি) জোটবদ্ধ করে পাকিস্তান কাশ্মীর প্রশ্নে জাতিসঙঘ মানবাধিকার কমিশনে ভারতের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নেয়। সোনিয়া গান্ধী জানান, তখন ইরানই ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে সেই চেষ্টা রুখে দেয়। কাশ্মীর সমস্যার আন্তর্জাতিকরণ ঠেকাতে ইরানই তখন এই দেশের ত্রাতার ভূমিকা নিয়েছিল। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপুর্ণ ছিল বলে সোনিয়া গান্ধী জানান। সেই ইরানকে আমেরিকা -ইজরায়েলের যৌথ প্রাণঘাতী আক্রমণ, ওই দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খোমেইনিকে হত্যার পর ও ভারতের নীরবতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি।

শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক বৈরিতা দূরে সরিয়ে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, স্পর্শকাতর সেই বৈঠকে গেছিলেন প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী, ছিলেন সলমন খুরশিদ, মনমোহন সিং (তখন অর্থমন্ত্রী), ফারুক আবদুল্লা প্রমুখ বিশিষ্ট নেতারা। সেই বৈঠকে আবেগ জড়িত, দেশাত্মবোধক, জ্বালাময়ী ভাষণে ফারুক আবদুল্লা বলেছিলেন, শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তিনি কাশ্মীরকে রক্ষা করবেন। তাঁর মৃতদেহ ডিঙিয়ে (বেনজির ভুট্টোকে) কাশ্মীরে আসতে হবে। পরবর্তী কালে এই সব প্রামাণ্য কাহিনী লিপিবদ্ধ হয়েছে।
সেই বন্ধু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খোমেইনির হত্যা, তার ওপর আক্রমণে ভারত সরকারের নীরবতা নিয়ে তাই প্রশ্ন তুলেছেন ব্যথিত সোনিয়া গান্ধী। তাঁর মতে, এই নীরবতার অর্থ দায়িত্ব এড়ানো। বিশ্ব বিবেকের কন্ঠ হতে চাওয়া এই কি সেই ভারত?

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*