দিল্লিতে পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই চলবে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- ( লাইভ আপডেট)

  • ‘এই সংগ্রাম চলবে, সেদিন শেষ হবে যেদিন দিল্লিতে পরিবর্তন হবে। আর বামেদের কথা ছেড়ে দিন। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ে টাকা খেয়ে বসে আছে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আমরা এখানে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়েছে। এটা বাংলার মানুষের গর্ব। আপনারা ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিয়ে কী ভেবেছিলেন? বাংলা করতে পারে না? আমরা পেরেছি।’’
  • কেন্দ্রের বঞ্চনার সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বাংলার মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অনেক জনহিতকর প্রকল্প রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। আবাস প্রকল্পে গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মস্থানের উন্নতিকল্পে কাজ করেছে তৃণমূল সরকার। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে।
  • ‘‘বিজেপির চক্রান্ত তো চলছে। বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদছে। মানুষের কথা বলে না তারা। নির্বাচনের আগে প্রথম সার্কুলার ভারত সরকার পাঠিয়েছে। এক হাজারের উপর লোককে কাউকে মধ্যপ্রদেশ, কাউকে ওড়িশা তো কাউকে রাজস্থানের জেলে ভরা হয়েছে।’’
  • ‘‘বাংলা ভাষায় নাকি কথা বলা যাবে না! কে মাছ খাবে, কে মাংস খাবে, কে ডিম খাবে ওরা ঠিক করে দেবে! বিজেপির এক জন নেতা বলছেন এখানে নাকি ১৭ লক্ষ রোহিঙ্গা আছে। মোট কত রোহিঙ্গা? আপনি এত জনকে বাংলাতেই বা পেলেন কোথায়?’’
  • একুশের সভা ‌থেকে সিপিআইএমকে নরকঙ্কালের সরকার বলে আক্রমণ মমতার
  • ‘‘মতুয়া ভাইদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। কী জবাব দেবে তার বিজেপি? যখন ওড়িশায় ছাত্রীর সম্মাননষ্ট হল, যখন ওড়িশার রাস্তায় ছাত্রীর গায়ে আগুন ধরানো হয়, তার উত্তর কে দেবে? উত্তর দিতে হবে।’’
  • বিহারে ৪০ লক্ষ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাংলাতেও করতে চাইছে। এটা করলে আমরা ঘেরাও কর্মসূচি করব। আমরা এটা কিছুতেই হতে দেব না। গোটা বাংলা জুড়ে ঘেরাও কর্মসূচি হবে।
  • ‘‘বাংলায় কথা বলতে ভয় পান আপনারা। বাংলা রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, নজরুলের জন্ম দিয়েছে। বাংলা থেকেই লেখা হয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত।’’
  • মঞ্চে মমতার পাশে কোচবিহারের রাজবংশী বাসিন্দা, অসম থেকে এনআরসি নোটিস পাওয়া উত্তমকুমার ব্রজবাসী। তাঁর হাত ধরে ‘দিদি’র প্রশ্ন, ”এই ভাইকে কেন নোটিস দিল অসমের বিজেপি সরকার? কী অধিকার? জবাব দাও।” বললেন, ”কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে দেব না। কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে দেব না।”
  • কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকে মমতার চ্যালেঞ্জ, ”সর্বনাশা আইন বাতিল করব। বাংলায় হাত দিলে কমিশন ঘেরাও করব আমরা। কিছুতেই বাংলা, বাঙালির উপর অত্যাচার মানব না।”
  • বাংলায় একের পর এক উন্নয়নে ভয় পেয়ে বঞ্চনার রাজনীতি করছে বিজেপি। বাংলা জুড়ে কাজ হয়েছে। তাই বাংলাকে নিশানা করছে বিজেপি। মমতা বলেন, ‘‘বাংলা ভাষার উপর সন্ত্রাস চলছে কেন? বাংলা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে। নবজাগরণ হয়েছে বাংলা থেকেই। বাংলার মাটি দুর্বৃত্তদের হবে না। বাংলার মানুষকে যদি বাংলা বলার জন্য বাইরে গ্রেফতার করা হয় এই লড়াই কিন্তু দিল্লিতে হবে। আমি কিন্তু ছাড়ার লোক নেই। মনে আছে, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কথা?’’
  • প্রয়োজন হলে আবার ভাষা আন্দোলন শুরু হবে।
  • পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর কেন পাক অধিকৃত পাকিস্তান দখল করতে পারলেন না কেনো? বিজেপি সরকারকে প্রশ্ন মমতার।
  • অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে মমতার খোঁচা, “অসমের মুখ্যমন্ত্রী আপনি অসম সামলাতে পারছেন না। আর বাংলায় নাক গলাচ্ছেন। সুস্মিতা দেবকে বলব দরকার হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। দরকার হলে আমরা সবাই যাব। দেখব কতজনকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখেন।”
  • দলের সম্পদ আমাদের কর্মীরা। আমার সম্পদ মা মাটি মানুষ। যত কুৎসা করবেন, তৃণমূলের শক্তি বাড়বে। তৃণমূলকে শেষ করা অতো সহজ নয়।
  • আগে পহেলগাম সামলাও, কাশ্মীরকে সামলাও। আমাদের এখানে কেন সেন্ট্রাল ফোর্স। বাংলায় স্টেট ফোর্স কাজ করবে। চ্যালেঞ্জ করছি, কত লোককে জেলে জায়গা দিতে পারবেন? আমার চ্যালেঞ্জ রইল বিজেপি পার্টির কাছে।
  • জগন্নাথ ধামের মতো দুর্গাঅঙ্গন তৈরি করা হবে একুশের মঞ্চ থেকে ‌ঘোষনা।
  •  ২৭ জুলাই নানুর দিবস থেকে প্রতি শনি ও রবিবার বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রতিবাদে মিটিং-মিছিল করুন। প্রতিবাদে নামুন। এ বার শুরু হল ভাষারক্ষার শপথ।
  • দলের সম্পদ কর্মীরা। আমার দলের সম্পদ বাংলার মা-মাটি-মানুষ। যখন তৃণমূল জন্ম নিয়েছিল, বলেছিল ঘাস গরুতে খেয়ে নেবে। এখন তৃণমূল বটবৃক্ষ। যাঁরা ভাবছেন মমতা-অভিষেককে গালাগালি দিয়ে তৃণমূলকে গুঁড়িয়ে দেবেন, বড় ভুল করছেন। কী ভেবেছো? ইডি-সিবিআই দিয়ে শেষ করবেন? চ্যালেঞ্জ রইল। ড্যামেজ ম্যানেজ করা যায় না। কত জনকে জেলে জায়গা দেবেন?
  •  বাংলায় একের পর এক উন্নয়নে ভয় পেয়ে বঞ্চনার রাজনীতি করছে বিজেপি। বাংলা জুড়ে কাজ হয়েছে। তাই বাংলাকে নিশানা করছে বিজেপি। মমতা বলেন, ‘‘বাংলা ভাষার উপর সন্ত্রাস চলছে কেন? বাংলা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে। নবজাগরণ হয়েছে বাংলা থেকেই। বাংলার মাটি দুর্বৃত্তদের হবে না। বাংলার মানুষকে যদি বাংলা বলার জন্য বাইরে গ্রেফতার করা হয় এই লড়াই কিন্তু দিল্লিতে হবে। আমি কিন্তু ছাড়ার লোক নেই। মনে আছে, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কথা?’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দরকারে আবার ভাষা আন্দোলন শুরু হবে।’’
  •  একসময় বলত, বাংলায় নাকি আমি দুর্গাপুজো, সরস্বতী পুজো করতে দিই না। এখন আপনাদের ‘জয় মা দুর্গা’ বলতে হচ্ছে। আমি জগন্নাথ ধাম করেছি, বাংলায় দুর্গা অঙ্গন করে দেব।
  •  এ বার রেকর্ড ভিড় হয়েছে। একটা ব্রিগেড নয়, দশটা ব্রিগেড হতে পারত।
  • তৃণমূলের সমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৭ জুলাই নানুর দিবস থেকে প্রতি শনি ও রবিবার বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রতিবাদে মিটিং-মিছিল হবে প্রতিটি ব্লকে। মমতা বলেন, ‘প্রতিবাদে নামুন। এ বার শুরু হল ভাষারক্ষার শপথ।’
  •  মনে নেই হাজরা মোড়ে সেদিন আমায় মারতে মারতে প্রায় মেরেই ফেলেছিলেন। মাথা ভেঙে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। শুধু এক্সারসাইজ করি বলে আর হাঁটি বলে এখনও চলছি। আপনাদের ১০জনকে আমি একাই নিতে পারি।
  • এবারে খেলায় বোল্ড আউট করতে হবে। একেবারে ছক্কা মারতে হবে
  • জব্দ হবে, স্তব্দ হবে‌। আমাদের দর্শন, তোমাদের বিসর্জন, একুশের মঞ্চ থেকে নতুন নির্বাচনের আগে নতুন স্লোগান ঠিক করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • এবার থেকে বিজেপি কর্মসূচি করলে সেদিন আপনারাও কর্মসূচি করুন। ওরা যেহেতু আমাদের কর্মসূচির দিন নিজেদের কর্মসূচি রেখেছে।
  • এবারের একুশে জুলাইতে কেন বৃষ্টি হল না, তার ব্যাখ্যা দিয়ে মমতা বলেন, “এবার কেন বৃষ্টি হয়নি বলুন তো? এবার নতুন খেলা শুরু হয়েছে। চোখ দিয়ে জল নয়, এবার আগুন বেরবে।”
  • গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সাংসদদের ধরনা কর্মসূচি। নাগরিক সমাজকে ধরনায় যোগের আহ্বান মমতার।
  • ২৭ জুলাই থেকে শুরু হবে ভাষা আন্দোলন, শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে ঘোষণা মমতার।
  • বেশি করে বাংলা বলুন। কোনও ভাষার উপরে আক্রমণ মানব না। আগামী নির্বাচনের রেজাল্ট বেরনো পর্যন্ত চলবে আন্দোলন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*