আজ বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রের মৃত্যু বার্ষিকী, তাঁকে স্মরণ করে বিভিন্ন জায়গায় কর্মসূচি প্রদেশ কংগ্রেসের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- আজ বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র’র ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের স্মরণে বিভিন্ন জায়গায় তার স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয় । প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শ্রী শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন সভাপতি অধ্যাপক, প্রদীপ ভট্টাচার্য্য সহ কংগ্রেসের প্রাদেশিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

আজকের এই স্মরণ সভায় বক্তারা তাদের স্মৃতিচারণে প্রয়াত নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা , তার রাজনৈতিক জীবনের সংঘর্ষ , তার সমাজ সেবামূলক কাজে চর্চা করেন । শিয়ালদহ অঞ্চলে শুধু না সারা বাংলা জুড়ে বহু মানুষকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার যে রেকর্ড তিনি গড়ে গেছেন , সেটা উঠে আসে সব আলোচনায়।

অন্যদিকে মধ্য কলকাতার ৪৫ আমহার্স্ট স্ট্রিট সোমেন মিত্র র নিবাস ও রাজনৈতিক কার্যালয়তে যেটা একদা বহু রাজনৈতিক হেভিওয়েট দের আনাগোনার সাক্ষী ছিল, সেইখানে আজ উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত সোমেন মিত্রর স্ত্রী ও প্রাক্তন বিধায়ক শিখা মিত্র।

স্মৃতি চারণার সাথে সাথে শতাধিক মানুষের মধ্যে মশারী ধুতি শাড়ি ও খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয় । স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে আবেগবহুল হয়ে পড়েন শিখা মিত্র এবং এক প্রকার অঙ্গীকার করেন তার শুরু করা সামাজিক কার্যক্রম আগামী দিনেও এগিয়ে নিয়ে যাবেন । অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন রাকেশ বণিক, সঞ্জীব সেন, বিশ্বনাথ বসাক প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন প্রদেশ কংগ্রেস এর মুখপাত্র সুমন রায় চৌধুরী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমেন মিত্র বা ছোড়দা বলে রাজনীতির আঙিনায় পরিচিত ছিলেন সোমেন্দ্রনাথ মিত্র। তাঁকে গনিখান চৌধুরীর শিষ্য বলা হত। সোমেন মিত্রর জন্ম ১৯৪১ সালের ৩১ ডিসেম্বর। অধুনা বাংলাদেশের যশোহর জেলায়। ১৯৭২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিয়ালদহ কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। কংগ্রেসের অতি দুর্দিনেও তিনি দল ছাড়েননি। তবে ২০০৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে দিয়ে তিনি নিজস্ব দল তৈরি করেন। নাম দেন প্রগতিশীল ইন্দিরা কংগ্রেস। ২০০৯ সালে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের ঘটনার পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই বছরই লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে সিপিএমের শমীক লাহিড়ীকে হারিয়ে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন সোমেনবাবু। ২০১৪ সালে তিনি অবশ্য সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। ফিরে যান তাঁর পুরনো দল জাতীয় কংগ্রেসে। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বারের জন্য তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হন। আমৃত্যু সেই পদেই ছিলেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*