রোজদিন ডেস্ক : ভোট মুখি বিহারে এবার “মা”-এর অপমানকে অস্ত্র করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাপান, চিনের সংক্ষিপ্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সফর সেরে সদ্য দেশে ফিরেছেন তিনি। এইদিন বিহারে জীবিকা সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের সূচনায় নাম না করে রাহুল গান্ধী, তেজস্বী যাদব-কে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী। গতকালই ভোটমুখি বিহারে সাড়া জাগানো ভোটার অধিকার যাত্রার সমাপ্তি হয়। ওই যাত্রা চলাকালীন বিরোধী মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মা-কে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় উঠেছে সারা দেশে। ঝানু রাজনীতিবিদ প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুতে এইদিন জানিয়ে দেন, মা-এর এই অপমান বিহারবাসী কখনো সহ্য করবেন না। আবেগের সঙ্গে তিনি বলেন, “আমি হয়ত আর জে ডি – কংগ্রেস কে ক্ষমা করে দেবো। কিন্তু বিহারের মানুষ কখনোই তা মানবেন না।”
বিহারে রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রার মূল সুর ছিল এস আই আরের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে দেশব্যাপী রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় উঠেছে। ভোট চুরি করে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলে প্রচার তুঙ্গে তুলেছেন রাহুল। এইদিন এস আই আর নিয়ে কোন কথাই বলেননি প্রধানমন্ত্রী। বরং অত্যন্ত সুকৌশলে মা-কে নিয়ে বিহারবাসীর আবেগকে উসকে দেওয়ার প্রয়াস নিয়েছেন। তিনি বলেন, মা আমাদের পৃথিবী। আত্মসম্মান। আরজেডি -কংগ্রেস শুধু তো তাঁর মা-কে নয়, সারা দেশের মা, সব নারীকে অপমান করেছে। এর জন্য তিনি নিজে যত যন্ত্রণা পেয়েছেন, বিহারবাসীরাও তা পেয়েছেন।
নাম না করে রাহুল গান্ধী, তেজস্বী যাদবকে বিঁধে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই সব রাজ পরিবারের যুবরাজরা সোনার চামচ নিয়ে জন্মেছেন। গরিব মায়ের তপস্যা, যন্ত্রণা ওরা বোঝেন না। মনে করেন, তাদের পরিবারই দেশের শক্তি! নিজেকে দেশের প্রধান সেবক বলে জানিয়ে তিনি বলেন, গরিব মায়ের সন্তানকে যে দেশবাসী এই পদে বসিয়েছেন, এটা ওদের সহ্য হচ্ছে না। এই সব নিয়ে তাঁকে হেনস্থার তালিকা দীর্ঘ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দরিদ্র ও আদিবাসী পরিবার থেকে আসা রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকেও কংগ্রেস অপমান করেছে বলে এইদিন অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। কংগ্রেস ও আরজেডি-কে এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে জানান।

Be the first to comment