রোজদিন ডেস্ক : দেশ জুড়ে বিতর্ক ও বিরোধীদের প্রবল প্রতিবাদ। চাপে পড়ে এবার সঞ্চার সাথী অ্যাপ নিয়ে পিছু হঠল কেন্দ্রীয় সরকার। জানিয়ে দিল, সঞ্চার সাথী ফোনে থাকলেও প্রয়োজনে যে কেউ তা ডিলিট করতে পারবেন। একে বিরোধীরা আপাতত তাঁদের জয় হিসেবেও দেখছেন। এর আগে কেন্দ্র এই অ্যাপ বাধ্যতামূলক বলেই নির্দেশ জারি করেছিল। জানানো হয়েছিল, এবার থেকে স্মার্টফোন বিক্রির আগেই ‘ফ্যাক্টরি সেটিংস’ অবস্থায় প্রি-ইনস্টল করে রাখতে হবে সরকারের সঞ্চার সাথী অ্যাপ। এমনই ফতোয়ায় দেশজুড়ে প্রবল বিরোধিতা ও বিতর্ক তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত পিছু হটল কেন্দ্রীয় সরকার।কেন্দ্রীয় টেলিকমমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, ২০২৪ সালেই শুধু সাইবার প্রতারণায় দেশের মানুষ ২২ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির শিকার হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষকে সঞ্চার সাথী অ্যাপের সুবিধা দিয়ে সেই প্রতারণা যাতে না ঘাটে তার আগামী সতর্কবার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এটা আমাদের দায়িত্ব। নাগরিকরা যদি তা না নিতে চান, নেবেন না। কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। এর আগে টেলিকম মন্ত্রক গত ২৮ নভেম্বর এই নিয়ে একটি বিধিও তৈরি করে। যা ফাঁস হতেই প্রবল চাঞ্চল্য তৈরি হয়। বিরোধীরা অভিযোগ করে, দেশের ৭৫ কোটি স্মার্টফোন গ্রাহকের উপর নজরদারি ও চরবৃত্তি করার জন্যই মোদি সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। কংগ্রেস বলে, বিগ ব্রাদার নাগরিকদের উপর নজরদারির প্ল্যান করেছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। অ্যাপল, স্যামসাংয়ের মতো আন্তর্জাতিক মোবাইল সংস্থাগুলি এটা মানতে চায়নি।

Be the first to comment