রোজদিন ডেস্ক :
১৯৭১ এর বাংলাদেশের যুদ্ধ ও পরবর্তী পরিস্থিতি, ১৯৮৪ তে ভোপালের ভয়ংকর গ্যাস দুর্ঘটনা সহ বহু ঐতিহাসিক ঘটনা তাঁর ক্যামেরাবন্দি হয়ে সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে।
আজ কাকভোরে প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি আলোকচিত্রী রঘু রাই। বয়স হয়েছিল ৮৩। রেখে গেলেন স্ত্রী গুরমিত, তিন কন্যা লগন,অবনী ও পুরভাই ও পুত্র নীতিন কে।
তাঁর প্রয়াণের খবরে আলোকচিত্র শিল্পী মহল সহ এই রাজ্য, দেশের সাংস্কৃতিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমেছে।
তাঁর পুত্র আলোকচিত্রী নীতিন রাই জানান,গত দু বছর নানা অসুস্থ তায় ভুগছিলেন তিনি। বার্ধক্য জনিত নানা সমস্যা ও ছিল। আজ কাকভোরে দিল্লির এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ফেলেন।
পঞ্জাবের ঝাং-এ জন্ম রঘু রাই এর। পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হলেও নেশায় আলোকচিত্রী এই পেশাকেই বেছে নিয়েছিলেন। ১৯৬৬ সালে নামী ইংরেজি দৈনিকে আলোকচিত্রী র কাজে যোগ দেন। দীর্ঘ ছয় দশক জুড়ে এই পেশায় ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন। সব রকম ছবি তোলায় পারদর্শী রঘু রাই এর অনন্য সাক্ষরতা ছড়িয়ে আছে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা তেও।
মাদার টেরেসা, ইন্দিরা গান্ধী, সত্যজিৎ রায়, দলাই লামা, বিসমিল্লা খান, হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়া প্রমুখ বিশিষ্ট দের প্রতিকৃতি র মাধ্যমে তিনি দেশের বহুমুখী সত্তাকে তুলে ধরেছেন।
দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও তাঁর কাজ বন্দিত ছিল। নিজের কর্মজীবন নিয়ে বহু বই ও লিখেছেন। পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত এই সংবেদনশীল আলোক চিত্র শিল্পীর প্রয়াণে এক যুগের অধ্যায়ের সমাপ্তি হোল।

Be the first to comment