- ভারতের বিশিষ্ট ও বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকরের জীবনাবসান। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান এবং অসাধারণ অভিনয়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
- তিনি লিখেছেন, ‘নানা পাটেকরজির মতো দাপুটে ব্যক্তিত্ব এবং স্বতন্ত্র উপস্থিতি খুব কম অভিনেতারই ছিল। তিনি প্রতিটি চরিত্রে অসাধারণ। নিজের প্রতিভা ও সৃজনশীলতায় ফুটিয়ে তুলতেন সমস্ত চরিত্র। তিনি আমাদের এমন সব চরিত্র উপহার দিয়েছেন যা যুগের পর যুগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর স্পষ্ট কথা ও সোজাসাপ্টা মতামতের জন্যও তিনি প্রশংসিত ছিলেন। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে শ্রী নানা পাটেকরের অবদান ছিল অপরিসীম। তাঁর পরিবার, বন্ধু এবং অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।’
- মানিকচকে মালদার বন্যাকবলিত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘বন্যায় বিধ্বস্ত প্রায় ২৪ হাজার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ২১টি ত্রাণ শিবির বিপর্যস্ত পরিবারের জন্য। যাঁদের ঘর ভেঙেছে তাঁদের ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ। ঘর আংশিক ভাঙলে ৯০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
- ‘ভুতনির সঙ্গে প্রথম দিন থেকেই যোগাযোগ রেখেছিলাম।’ মানিকচকে গিয়ে বললেন শুভেন্দু অধিকারী। ভুতনির এই অবস্থার জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘যাঁদের বিধায়ক-মন্ত্রী করেছিলেন, তাঁরা কেউ পাশে দাঁড়াননি।’
- ৫ হাজার পরিবারকে পুজোর নতুন পোশাক দেওয়া হয়েছে এদিন। কানপুর আইআইটি-কে ভুতনির অবস্থার স্থায়ী সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। জল নেমে গেলেই শুরু হবে কাজ।
- বর্ধমানের উল্লাসে সঙ্ঘ কার্যালয়ে এসে পৌছালেন আরএসএস প্রধান মোহন রাও ভাগবত। বিকালে মধ্যবঙ্গের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেওয়ানদীঘিতে একটি বেসরকারি স্কুলের হলঘরে সভা করবেন।
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন বিরোধীরা। INDIA জোটের তরফে সময় চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল আগেই। গত দু দিন ধরে আন্দোলনের পর এবার সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে পারবেন ইন্ডিয়া-র ১০ জন প্রতিনিধি। থাকতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদবের মতো নেতা-নেত্রীরাও।
- লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় চাওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অন্যান্য সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সুদীপ, খবর এনসিপিআই সূত্রে।
- কোনও দুষ্কৃতীর ছোড়া গুলিতে নয়, বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়েই গুলিবিদ্ধ হয় অক্ষয় ঝা (১৫)। এই ঘটনায় হতবাক এলাকার লোকজন। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বৃহস্পতিবার জানান, বুধবার দুই বন্ধু অক্ষয় ঝা ও সাগর রাও বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল। অসাবধানতাবশত গুলি বেরিয়ে যায়। তা অক্ষয়ের গায়ে লাগে। আর তার পরেই রাস্তায় গুলি চালানোর নাটক ফাঁদে সাগর।
- তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাঞ্জেলা বৈদ্যর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ স্থানীয় বাসিন্দাদের। টাকা তছরুপের অভিযোগে টায়ার জ্বালিয়ে বসিরহাটে মহিলাদের পথ অবরোধ ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়াল বৃহস্পতিবার। বসিরহাট-১ ব্লকের গোটরা গ্রামপঞ্চায়েতের লক্ষ্মণকাটি এলাকার ঘটনা।
- কলকাতা বিমানবন্দরে ফের বোমাতঙ্ক। ফের হুমকি মেল আসে বিমানবন্দর অথরিটির অফিশিয়াল মেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দর অথরিটির কাছে একটি মেইল আসে। যেখানে দাবি করা হয় বিমানবন্দরের ভিতরে বোমা রাখা হয়েছে। যে কোনও সময় বিস্ফোরণ ঘটবে। বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থা তল্লাশি শুরু করেছে। মেলের উৎস খুঁজতে সাইবার বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।
- মগরায় প্রৌঢ়ের দেহ উদ্ধার। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা নিথর দেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। ওই এলাকায় আইবিপি পাম্প এলাকায় মগরা জিটি রোডের পাশে এক প্রৌঢ়ের দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তাঁর পরনে ছিলো গামছা, শরীরে ট্যাটু করা হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দেশের অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি বিহারও উত্তাল হয়েছিল ছাত্রবিক্ষোভে। গত ২৫ জুলাই বিক্ষোভে ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর প্রতিবাদে তেজস্বীর নেতৃত্বে ‘লোকভবন চলো’ অভিযান। এই বিক্ষোভের জেরে সকাল থেকেই উত্তাল পাটনা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বচসা পুলিশের।
- জুলাই মাসে যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলার সময় ফেসিয়াল রেকগনিশন ক্যামেরা ব্যবহার করে বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে চিহ্নিত করেছিল দিল্লি পুলিশ। কারও বিরুদ্ধে খুন, কারও বিরুদ্ধে ধর্ষণ, কারও বিরুদ্ধে এবারও নয়াদিল্লির একাধিক হটস্পটে লাগানো হচ্ছে সেই ক্যামেরা। পুলিশের খাতায় নাম থাকা সেই ২৮৭৩ জনকে কোনোভাবেই আন্দোলনে যোগ দিতে দেবে না পুলিশ। সেভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- কেন দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় পড়বেন না তাঁরা? সেই জবাব দিতে দফায় দফায় সময় চাইছেন তাঁরা। শেষবার স্পিকারের তরফে বলে দেওয়া হয়েছিল ৮ অক্টোবরই জবাব দেওয়ার শেষ দিন। তার মধ্যেই জানাতে হবে, কেন তাঁদের সাংসদপদ খারিজ করা হবে না। কিন্তু এবারও ‘ডেডলাইন’ মানতে পারলেন না তাঁরা। আবার ২ সপ্তাহ ইমেইল পাঠানো হচ্ছে স্পিকারের অফিসে।

Be the first to comment