সফল হবে না নাম বাদ দেওয়ার বিজেপির ষড়যন্ত্র, যথাযথ ভাবে মানতে হবে সুপ্রিম নির্দেশ, দাবি জানালো দেশবাঁচাও গণমঞ্চ

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : যত এগোচ্ছে, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ভোটাধিকার রক্ষা কিংবা স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করা কমিশনের উদ্দেশ্য ছিলই না। মোদি-জ্ঞানেশের যৌথ ষড়যন্ত্রে এসআইআরের আসল লক্ষ্য, বাংলার বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বিজেপির বাংলা দখলের রাস্তা মসৃণ করা। এই অসৎ উদ্দেশ্যসাধনে আধার কার্ডের মান্যতা নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশকেও অমান্য করেছে নির্বাচন কমিশন। নিত্যনতুন ফতোয়া জারি করে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা-হয়রানি থেকে চাপ বাড়িয়ে হুমকি দিয়ে কমিশন বিএলওদের মৃত্যুর পথে ঠেলে দিচ্ছে। বিজেপির দলদাস কমিশনের যাবতীয় অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একগুচ্ছ দাবি ছুঁড়ে দিল দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর নেতৃত্বে বিজেপির দলদাস নির্বাচন কমিশনের অমানবিক, অন্যায্য, অগণতান্ত্রিক কাজকর্মকে তীব্র ধিক্কার জানাল দেশবাঁচাও গণমঞ্চ।
সংগঠনের সাফ বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যা করছে, তা পুরোটাই একটা পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র! আর এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মূল হোতা বিজেপি এবং আরএসএস। তাই কমিশনের কাছে গণমঞ্চের পরিষ্কার দাবি, অবিলম্বে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কার্যকলাপ বন্ধ করে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণকে মান্যতা দিক কমিশন! মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করা হোক! রাজ্যের দেওয়া সরকারি শংসাপত্র ও পরিচয়পত্রকে মান্যতা দেওয়া হোক! বাংলার জন্য আলাদা করে নিত্যনতুন ফরমান জারি বন্ধ হোক! বিএলওদের উপর মানসিক চাপ কমানো হোক! কথায় কথায় তাঁদের বিরুদ্ধে ‘কড়া ব্যবস্থা’র হুমকি বন্ধ হোক! শুনানির নামে নাগরিকদের হেনস্থা বন্ধ হোক! তাড়াহুড়ো না করে দীর্ঘমেয়াদি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন হোক!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*