এখনও জেলে চার নেতা, দুশ্চিন্তায় ঘুম ছুটেছে পরিবারের

দেবনীল সাহা

Spread the love

বুধবারও অধরা রয়ে গেল জামিন। বুধবারও বাড়ি ফেরা হল না ফিরহাদ, সুব্রত, মদন আর শোভনের। আরও একরাতের জন্য প্রেসিডেন্সি জেলেই থাকতে হচ্ছে চার হেভিওয়েট নেতাকে। এই নিয়ে উদ্বিগ্ন চার নেতার পরিবার। পরপর বিনিদ্র রাত কাটছে তাদের। চার নেতা প্রত্যেকেরই বয়স ৬০ বছরের উপরে। প্রত্যেকেরই স্বাস্থ্যের অবস্থা যথেষ্ট সঙ্গীন।

মঙ্গলবার জেলে থাকাকালীনই ভোররাতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিধায়ক মদন মিত্র ও প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। এসএসকেএম হাসপাতালে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে দেখতে যান তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায় ও তার ছেলে ঋষি চট্টোপাধ্যায়। অতিরিক্ত হাই সুগারের রোগী শোভনকে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত বৈশাখী। অন্যদিকে, জেলের মধ্যেই জ্বর আসে প্রাক্তন মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের। করা হয় তার করোনা পরীক্ষাও।

যদিও প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার সূত্রে জানা গিয়েছে, তার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বুধবার ফিরহাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর দুই মেয়ে। যদিও সরাসরি মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। জেলের সুপারিনটেনডেন্টের সঙ্গেই শেষ পর্যন্ত দেখা করে ফিরে আসেন দুই ফিরহাদ কন্যা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। পঞ্চায়েতমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য হাসপাতালে আসেন তার স্ত্রী। তিনি এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে দোষারোপ করেন।

বিধায়কের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত মদন মিত্রের বাড়ির লোকও। তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতার স্ত্রী ও পুত্রবধূ দুজনেই করোনায় আক্রান্ত। তাই বাড়ি থেকে বেরতে পারছেন না। এদিকে সত্তরোর্ধ্ব মদনের শারীরিক অবস্থার কথা চিন্তা করে ঘুমহীন রাত কাটাচ্ছেন তার স্ত্রী ও পুত্রবধূ। সোমবার গভীর রাতে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন মদন। তাকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন বিভাগে। বুধবার তার সিটি স্ক্যান হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*