প্রতিবেদন: ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে ডায়মন্ডহারবার যাওয়ার পথে বিজেপির তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালায় একদল দূষ্কৃতী। প্রায় ৬ বছর পর সেই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে অভিষেক-ঘনিষ্ঠ যুব তৃণমূল নেতা ইমরান হাসানকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে দেউলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে উস্তি থানা। মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের যুব তৃণমূল সভাপতি ছিলেন এই ইমরান। তাঁর বিরুদ্ধে নাড্ডার কনভয়ে হামলা ছাড়াও ভোটারদের ভয় দেখানো, বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার, ঘরবাড়ি ভাঙচুর-সহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে আচমকা নাড্ডার কনভয় লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। একের পর এক নেতার গাড়ি কার্যত টার্গেট করে ধেয়ে আসে লাঠি। আহত হন কনভয়ে থাকা বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল আমলে এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার না হলেও পালাবদলের পর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে নেমেই মগরাহাটের তৌসিফ আহমেদ মোল্লা, আরিফ হোসেন, আনিসুর রহমান, সঞ্জীব মণ্ডল, রিপনদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরা সবাই এলাকার তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি জাহাঙ্গির খানকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এবার পুলিশের জালে পড়ল ইমরান হাসান। এদের জেরা করে আর কোনও নাম উঠে আসে কিনা সেটাই দেখার।

Be the first to comment