রোজদিন ডেস্ক : দিল্লিতে কারাবন্দি উমর খালিদকে নিউ ইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানির চিঠি দেওয়া নিয়ে বিতর্ক জমে উঠেছে। বিজেপি এই বিষয়ে মামদানিকে হুঁশিয়ারি দিতে ছাড়েনি। দলের মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া শুক্রবার মামদানিকে তোপ দেগে বলেন, উনি ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন।ভারত কখনোই তা সহ্য করবে না জানিয়ে তিনি বলেন, যদি দেশের সার্বভৌমত্ব চ্যালঞ্জের মুখে পড়ে, ১৪০ কোটি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে। এই দেশের মানুষের বিচার ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ আস্থা আছে বলে তিনি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দেন।
পাঁচ বছর ধরে কারাবন্দি থাকা জেএনইউ-এর ছাত্র নেতা উমর খলিদের উদ্দেশ্যে নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানির এক চিঠি শুক্রবার সমাজমাধ্যমে আসার পর তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি ও তার বিভিন্ন শাখা সংগঠন মামদানিকে নিশানা করে তোপ দাগছেন। সুত্রের খবর, উমর খলিদকে জামিন দেওয়া, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিচার করা নিয়ে আমেরিকার কয়েকজন আইনপ্রণেতা ওই দেশে ভারতের রাষ্ট্র দূত বিনয়-কে চিঠি ও দিয়েছেন। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।
বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া মামদানির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এখানকার গণতন্ত্র, বিচার ব্যবস্থা নিয়ে একজন বহিরাগত কি করে এই সব বলেন? যে ব্যক্তি দেশকে ভাগ করতে চায় তার সমর্থন উনি কিভাবে করেন? এটা একেবারেই ঠিক নয়। এই সঙ্গে কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীকে এক হাত নিয়ে তিনি বলেন, বিদেশে গিয়ে উনিই ভারত বিরোধী শক্তি ও শত্রুদের সঙ্গে দেখা করেন। বিদেশে গিয়ে দেশের নিন্দা করেন, লোকসভার বিরোধী নেতা হয়ে কোন দায়িত্ব পালন ই করেন না। বিজেপি নেতা প্রদীপ ভান্ডারি ও রাহুল গান্ধী কে ভারত বিরোধী তকমা দিয়ে বলেন, বিদেশে গিয়ে উনি দেশ বিরোধীদের সঙ্গে হাত মেলান। ছবি তোলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিজেপির দুই নেতা গৌরব ভাটিয়া, প্রদীপ ভান্ডারির এই সব মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বে র অনুমোদন ছাড়া তাঁরা এই ভাবে মামদানি ও তাঁর প্রসঙ্গ টেনে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করেননি বলেই ওয়াকেবহাল মহল মনে করেন।

Be the first to comment